বাকেরগঞ্জের বাদলপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ব্যতিক্রমী আয়োজনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাকেরগঞ্জের বাদলপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ এবং বাদলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

২৭ জানুয়ারী শনিবার শুরু হয়ে ২৮ জানুয়ারী রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে অনুষ্ঠানের নানান কার্যক্রম। রবিবার সমাপনি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অবঃ) মোঃ গোলাম কিবরিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন জ¦ালানী মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব হারুন অর রশিদ খান, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ ইকবালুর রহমান সেলিম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মনির হোসেন হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আলাউদ্দিন ফকির। পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন স্কুলের বিদ্যোৎসাহী সদস্য আমিনুল মোহাইমেন চুন্নু। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরামদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান গাওসেল আলম লাল।

তাছাড়া সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন বাদলপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ এনায়েত উল্লাহ, ক্রীড়া শিক্ষক আজিজুল হক, দাতা সদস্য জাকির হোসেন হাওলাদার, ইউপি সদস্য মাহাবুব হোসেন শিকদার রাজা. বাদলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজি কমিটির সভাপতি ও যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন পনির, সহ-সভাপতি ও আ’লীগ নেতা শাহাব উদ্দিন আকন, প্রধান শিক্ষক সাজেদা বেগম এবং বরিশাল অনলাইন সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারী মোঃ মামুন-অর-রশিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের প্রভাষক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এবং আরিফুর রহমান।

এদিকে ১ম দিনের প্রধান অতিথি বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগ সভাপতি শামসুল আলম চুন্নু, বিশেষ অতিথি নিলফামারীর পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান, বাকেরগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সদস্য হেমায়েত উদ্দিন হাওলাদার সহ অতিথিরা আসলে অনুষ্ঠানস্থল এক মহা মিলন মেলায় রূপ নেয়। এলাকার এত গুনীজনকে একসাথে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই।

১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলটি একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। অসংখ্য ভালো ফলাফল এবং প্রাক্তন ছাত্রদের নানান সাফল্য স্কুলটিকে সারাদেশে পরিচিত করে তুলেছে। এবারের ক্রীড়ানুষ্ঠানেও বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বক্তৃতা, সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগীতা দেখে সবাই মুগ্ধ হন। তবে আগামী দিনে শিক্ষার মান ধরে রাখতে কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রীদের আরো সচেষ্ট হতে হবে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।

(Visited 1 times, 1 visits today)





%d bloggers like this: