১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, শনিবার

সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া প্রায় দেড় হাজার পর্যটক ফিরেছেন

আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক: বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া প্রায় দেড় হাজার পর্যটক ফিরেছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পর্যটকবাহী জাহাজে করে টেকনাফের দমদমিয়া জেটিঘাটে পৌঁছান পর্যটকরা। এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ফিরে আসা পর্যটকদের হাতে ফুল ও চকলেট তুলে দেন।  এর আগে সকালে কাঠের ট্রলারে করে শতাধিক পর্যটক টেকনাফে ফিরেছেন। গত বৃহস্পতিবার তারা সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে গিয়ে আটকা পড়েছিলেন।টেকনাফ দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অনুমতি নিয়ে পর্যটকবাহী জাহাজ ফরহান, আটলান্টিক ক্রুজ ও কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন সকাল সাড়ে ১০টায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। একইদিন বিকেলে এসব জাহাজে করে আটকেপড়া পর্যটকরা ফিরে আসেন। এসময় দেখা মেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ৬০ জনের একটি দলের সঙ্গে।

দলনেতা অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান খোন্দকার বলেন, আমরা একটু ভয়ে ছিলাম। তবে ছাত্রদের নিয়ে ফিরে এসেছি এটা অনেক বড় বিষয়। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন খুবই অপরিষ্কার ছিল। ফলে সবাইকে নিয়ে একদিন বিচ পরিষ্কার করেছি।

ঢাকা মিরপুর থেকে পরিবার নিয়ে দ্বীপে বেড়াতে এসে আটকা পড়েন অন্তরা। তিনি বলেন, প্রথমবারের মত দ্বীপে এসেছিলাম। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গত তিনদিন আটকা পড়েছিলাম। ফলে সন্তানদের নিয়ে অনেক টেনশনে ছিলাম। তবে স্থানীয় প্রশাসন  ও জনপ্রতিনিধিরা অনেক সহযোগিতা করেছেন।

বিআইডব্লিউটিএ টেকনাফ অঞ্চলের সমন্বয় কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, সকালে টেকনাফ থেকে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ টেকনাফ ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছাড়ে। আবার এসব জাহাজ ফেরার সময় আটকেপড়া পর্যটকদের নিয়ে আসা হয়।

টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসা পর্যটকরা সবাই ভাল আছেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network