১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

৭ শ্রেণির মানুষের জন্য দোয়া করেন ফেরেশতারা

আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ ডেস্ক:: এই পৃথিবীতে ওই সকল মানুষই ভাগ্যবান যাদের জন্য আসমানে দোয়া করা হয়। অর্থাৎ ফেরেশতারা দোয়া করেন। আর ফেরেশতারা হচ্ছে নিষ্পাপ, যারা সব সময় আল্লাহর ইবাদাতে মশগুল থাকেন। আল্লাহ তাদেরকে বিশেষ ভাবে তৈরি করেছেন এবং বিশেষ কিছু ক্ষমতার অধিকারী করেও তাদেরকে বানিয়েছেন।

|যে সাত শ্রেণির মানুষের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন তাদের বর্ণনা-

ওযু অবস্থায় ঘুমানো ব্যক্তি: রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি পবিত্র অবস্থায় (ওযু অবস্থায়) ঘুমায় তার সঙ্গে একজন ফেরেশতা নিয়োজিত থাকেন। অতঃপর সে ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সাথেই আল্লাহ তাআলার সমীপে ওই ফেরেশতা প্রার্থনায় বলে থাকেন, হে আল্লাহ! তোমার অমুক বান্দাকে ক্ষমা করে দাও, কেননা সে পবিত্রাবস্থায় ঘুমিয়েছিল।’ (সহীহ ইবনে হিব্বান)

নামাজের জন্য মসজিদে অপেক্ষারত ব্যক্তি: আবু হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মাঝে কোনো ব্যক্তি যখন ওযু অবস্থায় সালাতের অপেক্ষায় বসে থাকে সে যেন সালাতেই রত। তার জন্য ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো, হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি দয়া করো।’ (সহীহ মুসলিম ৬১৯)

প্রথম কাতারে সালাত আদায়কারী: হযরত বারা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা.) বলতেন, ‘প্রথম কাতারের নামাজিদেরকে নিশ্চয়ই আল্লাহতালা ক্ষমা করেন ও ফেরেশতারা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।’ (সহীহ ইবনে হিব্বান)

রাসূল (সা.) এর প্রতি দুরূদ পাঠকারী: ‘যে ব্যক্তি রাসূল (সা.) এর উপর দুরূদ পাঠ করবে আল্লাহতালা তার ওপর ৭০ বার দয়া করেন ও তার ফেরেশতারা তার জন্য ৭০ বার ক্ষমা প্রার্থনা করবে। অতএব বান্দারা অল্প দুরূদ পাঠ করুক বা অধিক দুরূদ পাঠ করুক (এটা তার ব্যাপার)।’ (সহীহ ইবনে হিব্বান)

যে ব্যক্তি রোগী দেখতে যায়: রাসূল (সা.) বলেছেন, যে কোনো মুসলিম তার অপর (অসুস্থ) মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, আল্লাহতালা তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা প্রেরণ করেন, তারা দিনের যে সময় সে দেখতে যায় সে সময় থেকে দিনের শেষ পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে এবং সে রাতের যে সময় দেখতে যায় সে সময় থেকে রাতের শেষ পর্যন্ত তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে।’ (সহীহ ইবনে হিব্বান, ২৯৫৮)

মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়াকারী: রাসূল (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম তার অনুপস্থিত ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে তা কবুল করা হয় এবং তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত থাকে। যখনই সে ব্যক্তি তার ভাইয়ের জন্য কল্যাণের দোয়া করে তখন সে নিযুক্ত ফেরেশতা বলে, আমীন অর্থাৎ হে আল্লাহ! কবুল করুন এবং তোমার জন্য অনুরূপ অর্থাৎ তোমার ভাইয়ের জন্য যা চাইলে আল্লাহ তোমাকেও তাই দান করুন। (সহীহ মুসলিম ৮৮) কল্যাণের পথে দানকারী: রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘প্রতিদিন সকালে দু’জন ফেরেশতা অবতরণ করেন, একজন বলেন, হে আল্লাহ! দানকারীর সম্পদ বাড়িয়ে দাও। আর অপরজন বলেন, হে আল্লাহ! যে দান করে না তার সম্পদকে বিনাশ করে দাও।’ (বুখারী ১৪৪২)

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network