১১ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার

লন্ডনের দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা,আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃণমূল, ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন

আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 আপডেট নিউজ : চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টের সামনে বিক্ষোভ করে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম নামের একটি সংগঠন। হঠাৎ করে সিনিয়র নেতাদের কিছু না জানিয়ে এমন আন্দোলনে নামায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও হতবাক। ডয়চে ভেলে

ওইদিনের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কর্মীরা প্রস্তুত। কিন্তু নেতারা তো নির্দেশনা দিচ্ছেন না। সেদিন কিন্তু হাজার হাজার নেতা-কর্মী সেখানে ছিলেন না। তাতেই কিন্তু একটা বার্তা দেওয়া গেছে। খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানি যখন চলছে, তখন জজ সাহেবদের একটা বার্তা দিতে হবে। তারা যেন নির্ভয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। সবাই মিলে ঘরে বসে থাকলে তো আর খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে না। বিএনপির যে আন্দোলনের সামর্থ আছে, সেটাও বুঝিয়ে দিতে হবে।

বিএনপি আন্দোলনের জন্য কতটুকু প্রস্তুত জানতে চাইলে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে খালেদা জিয়ার জামিন না হলে এক দফার আন্দোলনে যাবে বিএনপি। হয় খালেদা জিয়ার মুক্তি, না হয় সরকার পতন। এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা তো আন্দোলনের মধ্যেই আছি। তবে এক দফার আন্দোলনের ব্যাপারে এখনো নীতি নির্ধারণী ফোরামে আলোচনা হয়নি। আন্দোলন ছাড়া খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব নয় ।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা সেখানে ছিলাম না। তারপরও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
সিনিয়র নেতাদের না জানিয়ে আন্দোলনে নামা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে কেউ যে কোনো সময় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করতে পারেন। আন্দোলন ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। ফলে আমরা যতই লুকোচুরি করি না কেন, আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।
খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আগামী ৫ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, বিএনপির অধিকাংশ নেতাই চান খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে যেতে। কিন্তু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান লন্ডন থেকে এমন কোনো নির্দেশনা দিচ্ছেন না। এমনকি মহাসচিবও নাকি এখন আন্দোলনের পক্ষে নন। ফলে দলের নেতারা তাদের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও মনে মনে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। অনেকেই সিনিয়র নেতাদের না জানিয়ে মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network