৪ঠা আগস্ট, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার

শিরোনাম
মুলাদীতে পেয়ারা ব্যবসায়ী বজ্রপাতে নিহত রূপসা উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে ফলজ বৃক্ষ রোপন সরকারী মুলাদী কলেজে বৃক্ষরোপন করেন ঢাকাস্থ মুলাদী সমিতি উজিরপুরে ফুটবল খেলায় দন্দের জের ধরে কিশোর গ্যাং এর হামলা, ব্যাবসায়ী আহত মুলাদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জীবনের ঝুকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তারগন উজিরপুর বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে কবির হোসেন কাজিরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যানের মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের কমটি নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি মুলাদীতে দুই মাসের মধ্যে বয়াতী বাড়ীর রাস্তার ব্রীজের এপ্রোজ কালর্ভাট বিলিন

বাকেরগঞ্জ গারুড়িয়া ইউনিয়নে অটো চালক সোহরাব ফরাজীকে পিটিয়ে আহত।

আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ২৩ জানুয়ারি ২০২০ ইং রোজ বৃহস্পতিবার। নিত্যদিনের মত কর্মব্যস্ততার শেষে দেউলি গ্রামের মৃত রুস্তুম আলী ফরাজির একমাত্র ছেলে সোহরাব ফরাজী হিরাধর বাজারে শাহ আলমের চায়ের দোকানে বসে চা পান করেছেন। এমন সময় হিরাধর গ্রামের মৃত হযরত আলী খন্ধকারের ছেলে লাল মিয়া খন্ধকার সোহরাব ফরাজীর কাছে সুদের টাকা চায়,অনুরোধ করে সোহরাব বলেন আজ নেই আগামি কাল দিবো, লাল মিয়া আর কথা না বাড়িয়ে লাল মিয়ার হাতে থাকা বিদেশী (স্টীলের) চার্জার লাইট দিয়ে জনসম্মুখে দুধর্ষের ভুমিকায় অবতির্ন হয়ে সোহরাব ফরাজীর মাথায় স্বজরে আঘাত করেন।এতে সোহরাব ঘটনা স্থলেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান।স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেলেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ব্যাক্তির অবস্থা গুরুতর মনে করে শের- ই- বাংলা মেডিকেল কলেজে প্ররন করেন।বর্তমানে রুগি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এখন পর্যন্ত রুগি শংখ্যামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
স্থানীয়ভাবে যানা যায় যে,কিছুদিন পূর্বে সোহরাব বিপদগ্রস্থ হয়ে কিছু টাকা ধার চেয়েছিলেন লাল মিয়ার কাছে, কিন্তু ধার না দিয়ে সুদে দিতে রাজি হয় তিনি। নিরুপায় সোহরাব সুদে টাকা নিতে বাধ্য হয়। আশল দিয়ে দিলেও সুদের টাকা থেকে যায়। সুদের সুদ (চক্রবৃদ্ধির হারে) যোগ করে লাল মিয়া সোহরাবের নিকট টাকা চায়।সেই টাকা না দিতে পাড়ায় সোহরাবের উপর এ হামলা চালিয়েছেন বলে তার স্বজনদের অবিযোগ। লাল মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈদ ভাবে সুদের ব্যাবসায় করে আসছেন, যার কোন সরকারি লাইসেন্স নেই। এলাকার সাধারন মানুষের কাছ থেকে দ্বীগুন হারে সুদ নিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।কেহ যদি সুদের টাকা সঠিক সময়ে না দিতে পারে তাহলে তাদেরকে মারধর সহ বিভিন্ন ভাবে ভয়ভিতি দেখিয়ে থাকেন।এরকম অসংখ্য নজির রয়েছে বলে এলাকাবাসি জানান।আর কোন মায়ের সন্তান যেন লাল মিয়ার আক্রমনের শিকার হয়ে মেডিকেলে যেতে না হয় এবং চক্রবৃদ্ধির অবৈদ সুদের হাত থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network