২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, শনিবার

চীনে ভয়াবহ মহামারি করোনাভাইরাস : ইসলামের দৃষ্টিতে আমাদের কী করণীয়?

আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আপডেট নিউজ: চীনে মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে ফ্লু-সদৃশ ভাইরাস। সর্বশেষ তথ্যমতে, এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়ে ১০৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আরও প্রায় ৪৫১৫জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আক্রান্ত হতে পারে আরও প্রায় ছয় কোটি মানুষ।

মহামারির কারণ
এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার নানান কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন। কিন্তু এর একটা আধ্যাত্মিক কারণও রয়েছে। হাদিসে এসেছে, প্রিয় নবি (সা.) বলেছেন :

…لَمْ تَظْهَرْ الْفَاحِشَةُ فِي قَوْمٍ قَطُّ حَتَّى يُعْلِنُوا بِهَا إِلَّا فَشَا فِيهِمْ الطَّاعُونُ وَالْأَوْجَاعُ الَّتِي لَمْ تَكُنْ مَضَتْ فِي أَسْلَافِهِمْ

‘…যখন কোনো কওমের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা তা প্রকাশ্যেও করতে শুরু করে তবে তাদের মাঝে দুর্ভিক্ষ ও মহামারি ব্যাপক আকার ধারণ করে, যা তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে ছিল না।’ [ইবনু মাজাহ, আসসুনান : ৪০১৯]

করণীয়
১. হাদিসে বর্ণিত মহামাারির কারণগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো প্রতিকারের চেষ্টা চালানো। উপরোক্ত হাদিসে অশ্লীলতার ব্যাপক সয়লাব হওয়াকে মহামারির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং শুধু চীনই নয়, অশ্লীলতায় সয়লাব হয়ে যাওয়া প্রতিটি দেশ ও জাতির সচেতন হওয়ার সময় এসেছে।

২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা। কারণ তাওবা বালা-মুসিবত দূর করে দেয়।

৩. মহামারি কবলিত ভূমিতে অবস্থা করলে সেখান থেকে বের হওয়া যাবে না, বরং সবর করতে হবে। কারণ সবাই যদি মহামারি কবলিত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, তাহলে আক্রান্তদের সেবাযত্ন করার কেউ থাকবে না। তাই ব্যাপকভাবে নিজ পরিবার-পরিজন ও সমাজের মানুষদের ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া উচিত নয়। তবে অবশ্যই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪. আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে এবং আল্লাহ যে তাদের শহীদের সওয়াব দান করবেন সে ব্যাপারে আশা রাখতে হবে।

৫. যদি মহামারি এলাকা থেকে দূরে থাকে তবে মহামারি এলাকার আশেপাশে যাবে না।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network