তিনি বলেন, আপনারা ঘরে থাকবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রাখবেন। বাহির থেকে এসে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এছাড়া বাহিরে গেলে মাস্ক পরে যাবেন। নামাজ ঘরে আদায় করবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা.জাহিদ মালিক বলেন, দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষজন আগের মতো বাজারে যাচ্ছেন৷ এটি করবেন না, জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে যাবেন না। যারা রিলিফ দিচ্ছেন তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু আপনার রিলিফ বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেন। তাহলে মানুষের জটলা হবে না।
পিপিই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমাদের পিপিই’র সংকট নেই। আমাদের টেস্টিং কার্যক্রম বেড়ে যাচ্ছে। ১৪-১৫টি জায়গায় টেস্টিং হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে টেস্টিং কার্যক্রম আমরা নিয়ে যাচ্ছি। গতকাল সারাদেশে ৫০০ ওপরে টেস্টিং হয়েছে। এই সংখ্যাটি আমরা এক হাজারে নিয়ে যেতে যাচ্ছি।
বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা নিজের দায়িত্ব থেকে দূরে থাকবে না। আপনাদের কোনো সমস্যা থাকলে আমাদের বলেন। আপনারা যদি দায়িত্ব থেকে দূরে থাকেন তাহলে মানুষের প্রতি অন্যায় করা হবে।
গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। বিশ্বের প্রায় ২০৪টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাসটি। এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লাখ ৩ হাজার ৮৭৭ জন এবং মারা গেছেন ৬৪ হাজার ৭৮৭ জন। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই লাখ ৪৭ হাজার ৩০১ জন।
বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। করোনার বিস্তাররোধে দেশের সব স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর।
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব বিপণিবিতান। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আদালতও। এমনকি একাধিক এলাকাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশের সব জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।