মামুন-অর-রশিদ: বরিশাল জেলায় ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। যাদের অধিকাংশই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।এসব মেডিকেল পার্সনকে করোনা যুদ্ধের সম্মুখ যোদ্ধা আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন বিএমএ বরিশাল এর সভাপতি ডা. মোঃ ইসতিয়াক হোসেন বলেন, আগে সম্মুখ যোদ্ধাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত সকল চিকিৎসক, মেডিকেল স্টুডেন্ট, নার্স ও সংস্লিষ্টদের স্ক্রিনিং ব্যবস্থা করা, নেগেটিভ পজিটিভদের আলাদা করা, হোস্টেল ও আক্রন্ত এলাকা লকডাউন করা জরুরী। একই ডাক্তার নার্স দিয়ে করোনা ও সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা না দেওয়া সহ বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া রোগীদের তথ্য গোপন করে চিকিৎসা গ্রহণ বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।  তিনি আরো বলেন, আইডিসিআর থেকে স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আক্রান্তের সংখ্যা আলাদা ভাবে বলা দরকার। তাহলে কোথায় কি করণীয় সেটা নির্ধারন করতে আরো সুবিধা হবে।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলায় সোমবার সকাল পর্যন্ত ২২জন করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্য চিকিৎসক ৫জন, নার্স ২জন, মেডিকেল স্টুডেন্ট ১জন এবং মেডিকেল স্টাফ ৭জন। এছাড়া মুলাদীতে ১জন মারা যাওয়ার পরে তার নমুনা পরীক্ষা করে পজিটিভ পাওয়া গেছে। অপরদিকে বেশ কয়েকজন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেও তাদের নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের চিকিৎসা প্রদানে সর্বাাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। বরিশালের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা চলমান।