এম লোকমান হোসেন : আজ সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে অনেক ব্যক্তির আইডিতে একটা ছবি সম্বলিত পোস্ট বারবার চোখে পড়ে। বরিশাল বানীর পাঠকদের জন্য, সেই পোস্টটি পুরোপুরি তুলে ধরলাম – সাংবাদিক হাসানুল কাদির এক সময় দাপটের সাথে ইনকিলাব, মানবজমিন, সমকাল, কালেরকণ্ঠ, যায়যায় দিন, ডেসটিনি প্রভৃতি জাতীয় ধারার এইসব পত্রিকাসমূহে কাজ করা হাসানুল কাদিরের এমন নির্মম পরিণতি জাতি দেখতে এমনটা কল্পনাতেও ছিলো না।
তিনি নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন, ঠিক সময়ে সুযোগ পেয়ে মিথ্যেকে সত্য আর সত্যকে মিথ্যের সাথে মিশিয়ে এমন সংবাদ করতেন, সেই কারণে তার জন্য সর্বগ্রাসী অকল্যাণের দুয়ার খুলে গেছে।
দৈনিক সমকাল এবং কালেরকণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় ৪/৫ কলাম জুড়ে লালকালির বিপজ্জনক শিরোনাম এবং আলেম-ওলামাদের জড়িয়ে জেলা-উপজেলা ও মফস্বলে কল্পিত জঙ্গি আস্তানার নিউজ গুলো তিনিই সাজাতেন।
তার কারণে কত নিরপরাধ মাদ্রাসার ছাত্র আর শিক্ষক অমানুষিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তার কোন হিসেব নেই।
এভাবে হাসানুল কাদির শহর থেকে মফস্বল পর্যন্ত অনেক আলেম-ওলামাদের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ছিলেন।
দৈনিক যায়যায় দিনের প্রথম পৃষ্ঠায় ৫/৬ কলাম জুড়ে বিশাল দৃষ্টি আকর্ষণীয় শিরোনামসহ কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে রিপোর্ট করেছিলেন। অর্থাৎ তিনি কাদিয়ানীদের এজেন্ডা হয়েও কাজ করতেন।
আজ সেই হাসানুল কাদির ভৈরব উপশহরে রাস্তায় রাস্তায় শেকল পরা অবস্থায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পরে আছেন। সে এখন পাগল, এ এখন মূল্যহীন একজন মানুষ।
এই পোষ্ট লেখার উদ্দেশ্য হাসানুল কাদিরকে খাটো করার জন্য নয়, আসল উদ্দেশ্য হলো যারা হাসানুল কাদিরের মতো অপ-সাংবাদিকতা, হলুদ সাংবাদিকতা করে প্রতিপক্ষ বা নির্দোষ কোন ব্যক্তিকে মামলায় ঢুকিয়ে দিয়ে সাময়িক টাকা কামানোয় নিজেকে খুব জ্ঞানী বা ক্ষমতাধর ভাবতেছেন এইটা তাদের জন্য অগ্রীম সতর্কবার্তা।
ভালো হয়ে যান,ভাল না হলে আল্লাহর গজব আপনাকে অপদস্ত করবেই।
আল্লাহ্ এইভাবেই ধরেন, আর আল্লাহর ধরা খুব কঠিন ধরা।
ক্ষমতা পেয়ে,ক্ষমতার অপব্যবহার করলে,হয়তো এমনটাই হতে পারে!!
আসুন আমরা যারা গণমাধ্যমে কাজ করি সত্যকে সত্য বলি, আর মিথ্যাকে মিথ্যা বলি।
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক সংবাদ প্রকাশের তাওফিক দান করুণ।