নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলার চরফ্যাশনের আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সাহজাহান সর্দ্দারের ছেলে মোটর সাইকেল ড্রাইভার সোলাইমান স্থানীয় রাজনীতির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে একটি মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে রয়েছেন বলে দাবী করছেন তার পরিবারসহ স্থানীয়রা। সোলাইমানের ভাই আ. সাত্তার অভিযোগ করেন- একটি চোরাই ছাগল নিয়ে স্থানীয় কয়েক যুবক এক রিক্সা চালককে মার-পিট করে।
ওই ঘটনায় সোলাইমান স্বাক্ষী হয়। এতে ক্ষুব্দ হয়ে স্থানীয় এক রাজনীতিক নেতার ষড়যন্ত্রে সোলাইমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়েছেন প্রতিবেশি এক ব্যক্তি। স্থানীয় ইউছুফ ব্যাপারী জানান, মামলার অভিযোগে ভিক্টিম ছেলেটি একা ওষুধ আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হলেও প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- ওই ছেলেটি জানালা দিয়ে বের হতে গিয়ে পা কেটে যায়, পা কাটার ওষুধ আনতে পিতা ও ছেলে দুজনে এক সাথে ওষূধ আনতে গিয়েছেন। পিতা সাথে থাকলে এমন ঘটনা ঘটতে পারেনা । ফলে ঘটনাটি সাজানো বলে মনে হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য কবির হোসেন জানান, এক মাস আগে ওই ছেলের ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ছিল। এরপর তারা চুপ ছিলো। একমাস পরে একই অভিযোগ তুলে থানায় মামলা করেছেন ওই ছেলের বাবা। বিষয়টি সাজানো বলে প্রতিয়মান হয়। ওই ছেলের পিতা অভিযোগ করেন তার ছেলে ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্র।
১৮ জুন রাতে ওই ছেলে স্থানীয় আনন্দ বাজার চৌমুহনীর কাসেমের দোকানে তার মায়ের জন্য ঔষধ কিনতে যায়। ঔষধ নিয়ে বাড়ি ফেরার কালে তাকে একা পেয়ে প্রতিবেশি সোলাইমান তাকে মুখ চেপে জোর পূর্বক রাস্তার পাশের আবদুস সাত্তার রাড়ির পরিতিক্ত বাগানে নিয়ে মুখ হাত বেধে জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি বাড়ি ফিরে তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েলে পরিবার তাকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে শনিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন করেন। মামলার আসামী সালাইমান সর্দ্দারকে গ্রেফতার করে রবিবার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ৫ দিনের রিমান্ড দাবী করলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসামির এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। চরফ্যাশন থানার পুলিশ উপ- পরিদর্শক নুুুরুল ইসলাম জানান, তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য প্রকাশ করবো না।