অনলাইন ডেস্ক:: বঙ্গোপসাগরের ভাসানচরের কাছে ২ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি বোঝাই একটি এবং হাতিয়া চ্যানেলের কাছে সমপরিমাণ গম বোঝাই অপর একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে।শনিবার সকাল ও দুপুরে এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া দুই জাহাজের একটির নাম এমভি সিটি-১৪ এবং অন্যটির নাম এমভি আকতার বানু। এর মধ্যে এমভি সিটি-১৪ জাহাজের ১২ জন নাবিকের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও অপর জাহাজের ১৩ নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিআইডব্লিওটিএর উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম রাতে যুগান্তরকে জানান, এমভি সিটি-১৪ নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মাদার ভেসেল থেকে চিনি বোঝাই করে নারায়ণগঞ্জের রূপসা ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়।
এটি হাতিয়া ওয়ান লাইটার বয়া পার হয়ে ভাসানচর ও ঠ্যাঙ্গার চরের কাছাকাছি এলাকায় সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে। তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত থাকায় ওই সময় সাগর প্রচণ্ড উত্তাল ছিল।
জাহাজটির হ্যাজ দিয়ে পানি প্রবেশ করলে এক পাশের চিনি গলে কাত হয়ে যায়। পরে আস্তে আস্তে ডুবে যায়। মূল চ্যানেলের বাইরে দুর্ঘটনা ঘটায় অন্যান্য জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা হয়নি।
বিআইডব্লিওটির এই কর্মকর্তা আরও জানান, রূপসী-১ নামের পেছনে থাকা অপর একটি জাহাজ ডুবে যাওয়া এমভি সিটি-১৪ জাহাজের ১২ নাবিকের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
লাইটার জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের যুগ্ম-সচিব আতাউল করিম রঞ্জু জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে প্রায় ২ হাজার টন গম বোঝাই করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় এমভি আকতার বানু।