নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহি অফিসার রুহুল আমিন কে প্রত্যাহারের দাবিতে চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার ১৮ নভেন্বর দুপুরে চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কনফারেন্স রুমে সমিতির বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রভাষক মনির উদ্দিন চাষী লিখিত বক্তব্যে বলেন
আগামী ৩০ নভেন্বরের কার্যদিবসের মধ্যে চরফ্যাশনের ইউএনও কে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হলে ব্যবসায়ীরা কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।আগামী ৩০ নভেন্বরে কার্যদিবসের পরে সকল ব্যবসায়ীদের নিয়ে আমরা সন্ধ্যারপর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভা করবো।
আগামী ১লা ডিসেন্বর থেকে চরফ্যাশন উপজেলায় সকল পন্য আমদানী-রপ্তানী বন্ধ থাকবে
এবং হোটেল, রেস্তোরা ও ঔষধের দোকান ব্যতীত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।শহরে কোন পন্য পরিবহন চলবেনা।
চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, মহামারী করোনাকালিন ব্যবসায়ীরা ভাল নেই।
উপজেলা প্রশাসন চরফ্যাশনের ফেজবুক আইডিতে ১০দিনের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জেলাপ্রশাসক থেকে ডিলিং সনদ নিতে হবে ঘোষনা দিয়ে পরদিনই ভ্রাম্যমান আদালত দিয়ে ব্যবসায়ীদের গনহারে জরিমানা করেন।জরিমানা করে প্রদেয় টাকার অধিকাংশ রশিদে নেই নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর।এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনপ্রয়োগকারিদের দিয়ে ব্যবসায়ীদের আটক করে নিয়ে যায়। এরপরে শহরে ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ইউএনওর প্রত্যাহার চায়।
বিতর্কিত ইউএনও কে প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে৷
বাজার ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ন সম্পাদক মাইনুল ইসলাম মনির বলেন,ব্যবসায়ীদের উপর প্রশাসন আক্রোসের বশবর্তী হয়ে একের পর এক জরিমানা করছেন,এতে করোনাকালে ব্যবসায়ীরা লোকসান শুনতে গুনতে নিঃস্ব হয়ে পথে বসবে।ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে তাদের সুখে- দুখে পাশো দাড়াতে হবে।করোনা পরবর্তী চরফ্যাশনে দুই শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।ব্যবসায়ী বান্ধব সরকার যে মুহুর্তে তাদের পাশে সে মুহুর্তে ইউএনওর স্বেচ্ছাচারিতায় ব্যবসাীরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসছে।