আপটেড নিউজ ডেস্ক: ইলিশ রক্ষায় পদ্মা, মেঘনা ও তেঁতুলিয়াসহ ৬ অভয়াশ্রমে শুরু হয়েছে দুই মাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। রাত থেকেই নদীগুলোর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল জোরদার করেছে নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড। এরপরও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় বরিশালে গজারিয়া নদী থেকে ৪ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, অবরোধ চলাকালে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।
মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের অভয়শ্রামগুলোতে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। নদীতে জাল ফেলা বন্ধের প্রথমদিনই সোমবার (১ মার্চ) সকালে র্যালি নিয়ে চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনায় যান মৎস্য বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং নৌ পুলিশের সদস্যরা। এসময় মেঘনার বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। আটক করা হয় ৪ জেলেকে।
নিষেধাজ্ঞা থাকায় পটুয়াখালী ও ভোলায় ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন জেলেরা। নদীতে মাছ ধরার ট্রলার বা নৌকা চলাচল করতে দেখা যায়নি। অবরোধের দুই মাস সরকারি সহায়তার দাবি জেলেদের।এ অভিযান সফল করতে এবং ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সবার সহযোগিতা চেয়েছেন চাঁদপুর সহকারী পুলিশ সুপার মো. হেলালউদ্দিন।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, চাঁদুপরে মোট ৫১ হাজার ১৯০ জন কার্ডধারী জেলে আছেন। তাদের যেহেতু আমরা মাছ ধরা থেকে বিরত রাখা হচ্ছে ফেব্রুয়ারি থেকে মে এ চার মাস পর্যন্ত প্রত্যেক পরিবারকে ৪০ কেজি মানে ১৬০ কেজি চাল দেওয়া হবে। যাতে তাদের কোনো অসুবিধা না হয়।মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিছুর রহমান।
১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস পদ্মা, মেঘনা ও তেঁতুলিয়াসহ ইলিশের অভয়াশ্রম এলাকায় জালসহ যেকোনো সরঞ্জাম দিয়ে জাটকা এবং সবধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। মাছ ক্রয়-বিক্রয়,পরিবহন ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।