অনলাইন ডেস্ক: নিত্য পণ্যের বাজার কার নিয়ন্ত্রণে? এমন প্রশ্ন প্রায় সব ক্রেতার। কারণ, পণ্যেও বাজার সকালে এক রকম- বিকেলে আরেক রকম। যেসব পণ্যেও দাম বাড়ার কথা নয় সেইসব পণ্যেরও দাম বাড়ছে। যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ ছাড়াই বাড়ছে দাম। ক্রেতাসাধারণের নাভিশ্বাস উঠেছে। বাজারে গিয়ে পছন্দের পণ্যই চাহিদামতো কিনতে পারছেন না অনেকেই। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সঙ্গতি রাখতে গিয়ে জরুরি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না কিনেই ঘরে ফিরছেন। কিন্তু সরকারের যেন কিছুই করার নেই। সরকার যেন একেবারেই অসহায়। সবকিছুর চাবিকাঠি যেন বাজার সিন্ডিকেটের হাতেই। সরকারকেও যেন তারা নিয়ন্ত্রণ করছে, এমন অভিযোগ উঠেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী গত ফেব্রুয়ারি এক বক্তৃতায় বলেছেন, এক মাসের মধ্যে চালের বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু তার সেই বক্তব্যেও মাস অতিক্রম করতে চললো; চালের দাম স্বাভাবিক তো দূরের কথা, আগের চেয়ে আরো বেড়েছে। যদিও খাদ্যমন্ত্রী-সচিব এ বিষয়ে একেবারেই চুপ রয়েছেন এখন। অভিযোগ রয়েছে, চালের এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি খাদ্যমন্ত্রী-সচিব দু’জনেরই হাত রয়েছে। এরাই সরকারকে বেকায়দায় ফেলে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে দেশে চালের এ সংকট সৃষ্টি করেছেন। সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেননি।

বাণিজ্যমন্ত্রী তার ওই বক্তৃতায় অবশ্য বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের মূল্য না কমলে তার কিছুই করার নেই। অর্থাৎ দাম বাড়তেই থাকবে। তিনি অসহায়! কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার আগেই যে অভ্যন্তরীন বাজারে অস্বাভাবিকহারে সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে গেছে, অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম বৃদ্ধি কি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আছেÑ এসব প্রশ্নের কোনো জবাব বাণিজ্যমন্ত্রী দেননি। অবশ্য তিনি নিজেও একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা-বাণিজ্যে লাভ বেশি হওয়া মানে তো তারই লাভ!