আপডেট নিউজ: চলমান কঠোর বিধি-নিষেধ কার্যকর করতে বরিশালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কাজ করছে প্রশাসনের ২১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিধি-নিষেধের চতুর্থ দিন গতকাল রবিবার (৪ জুলাই) ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুই লাখ ২৫ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পুলিশও নিরাপত্তা চৌকি বসিয়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য আরো কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গতকাল দুপুরে নগরীর আমতলী মোড়ের চেকপোস্টে এক পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে।

জেলা প্রসাশানের মিডিয়া সেলে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত বিশ্বাস বলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৪৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। পাশাপাশি জেলার ১০টি উপজেলায় ১০ জন উপজেলা নির্বার্হী ম্যাজিস্ট্রেট ও পাঁচজন সহকারী ভূমি কমিশনার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ  আদালত পরিচালানা করে ১০৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ ৮৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সদস্যরা জানান, গতকাল রবিবার দুপুরে নগরীর আমতলার মোড়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদারের নেতৃত্বে  চেকপোস্টে চলছিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে হেলমেটবিহীন দুই ব্যক্তি চেকপোস্ট অতিক্রম করছিলেন। মোটরসাইকেলটি থামিয়ে আরোহীদের পরিচয় জানতে চাইলে কামরুজ্জামান নিজেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্য দাবি করেন। চেকপোস্টে নেতৃত্বদানকারী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার তাঁর আইডি কার্ড ও মোটরসাইকলের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তা দেখাতে ব্যর্থ হন ওই ব্যক্তি। পরে মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়।

মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, নিয়মানুযায়ী চেকপোস্টে মোটরসাইকেলটি রাখা আছে। হেলমেটবিহীন দুইজন এক মোটরসাইকেলে আরোহণ করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। একইসঙ্গে লকডাউনে বাইরে বের হওয়ার কারণও জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু তিনি তাঁর কর্মস্থলের পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। আর মোটরসাইকেলটির কাগজপত্র না থাকায় মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।

জাকির হোসেন আরো বলেন, ওই ব্যক্তি কাগজপত্র দেখিয়ে নিয়মানুযায়ী মোটরসাইকেল নিয়ে যেতে পারবেন। সবার জন্যই আইন সমান, তাতে আমাদের পুলিশ সদস্য হলেও কিছু করার নেই।