ফাইল ছবি।

অনলাইন ডেস্ক:: মঙ্গলবার (২০ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে পোশাক শ্রমিকদের ছুটি। ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করতে অনেকেই ঢাকা ছাড়ছে। কিন্তু এতকিছুর মধ্যেও একদল পোশাক শ্রমিককে এখন পর্যন্ত বেতন-বোনাস দেওয়া হয় নি। প্রতিবারের মতো এবারেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটায় যারা বেতন-বোনাস পাননি তাদের ঈদ নিরানন্দ কাটবে বলে সহজেই অনুমান করা যায়।

গতকাল অনেক কারখানায় রাত আটটা বেজে যাওয়ার পরেও বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হয়। কিন্তু গাজীপুরের স্টাইলক্রাফট কারখানার শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। বেশ কিছুদিন ধরেই কারখানাটির শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলন করছিলেন। অন্যদিকে মিরপুরের ফ্রেবটেক্স নামের একটি কারখানার শ্রমিকেরা বেতন-বোনাস পাননি। কারখানাটির মালিকপক্ষের কোনো খোঁজ না মিলছে না। তাই কারখানাটির শ্রমিকেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।

শিল্প পুলিশের হিসাব অনুযায়ী আশুলিয়া, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও খুলনা এই ছয় অঞ্চলে পোশাক ও বস্ত্রসহ মোট কারখানা আছে ৭ হাজার ৮২৪টি। তবে গতকাল রাত আটটা পর্যন্ত ৪৪৭ কারখানা গত জুন মাসের বেতন পরিশোধ করেনি। আর বোনাস দেয়নি ৮৫১ কারখানা। তার মানে ৯৪ শতাংশ কারখানা গত মাসের বেতন এবং ৮৯ শতাংশ কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে।

এ ব্যাপারে বিজিএমইএ সংবাদমাধ্যমকে জানায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে তাদের সচল কারখানার সংখ্যা ১ হাজার ৯১২। গতকাল সোমবার পর্যন্ত ১ হাজার ৯০৭টি কারখানায় বেতন-বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি ৫টি কারখানার বেতন-বোনাস পরিশোধের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, ‘আমাদের সদস্য কারখানাগুলো বেতন-ভাতা দিয়ে ঈদের ছুটি দিয়েছে। কেবল গাজীপুরের স্ট্যাইলক্রাফটে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস বাকি। সেটি সমাধানের চেষ্টা করছি আমরা।যেহতু এখনো এলাকাভিত্তিক ব্যাংক খোলা আছে এবং কারখানা মালিকরা চেষ্টা করে যাচ্ছে, তাই সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের আগেই মঙ্গলবারের মধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধ করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।