অনলাইন ডেস্ক:: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় লকডাউনের মধ্যেই আয়োজন করা হয় বিয়ের অনুষ্ঠানের। তা-ও আবার বর-কনে দুজনই স্কুল শিক্ষার্থী। অবশেষে এতে ‘হানা’ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা করা হয় বরপক্ষকে। মুচলেকা নেওয়া হয় উভয় পক্ষের কাছ থেকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের রুটি গ্রামে এক দুবাইপ্রবাসীর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে একই এলাকার দশম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছেলের বিয়ের দিন তারিখ ছিল সোমবার। কথা অনুযায়ী দুপুরে কনের বাড়িতে হাজির হন বরসহ স্বজনরা। এরই মধ্যে খাওয়া-দাওয়া শুরু হয়ে যায়। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আক্তার।
এ সময় তিনি বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে বর্ণনা করেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মাধ্যমে বয়স সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন ইউএনও। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হবে না মর্মে বর ও কনের অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করা হয়। পাশাপাশি বরপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, উভয় পক্ষের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করা হয়েছে। ছেলের পক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া যাবে না মর্মে পরিবারের লোকজনকে কঠোরভাবে বলা হয়েছে।