পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে আলোচিত সেই ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে।
একই ঘটনায় তার অপর ৫ সহযোগী তৎকালীন বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. মজিবুর রহমান, তালিকা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও তৎকালীন বাউফল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান ও যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য আয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মেসবা উদ্দিন তালুকদার এবং সংশ্লিষ্ট দুই ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন ও আশ্রাফুল আলম কামালকে কারাগারে পাঠান আদালত। রোববার দুপুরে পটুয়াখালী সিনিয়র দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তারা। আদালতের বিচারক রোখসানা পারভীন জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠান।
দুদকের আইনজীবী আরিফুল হক টিটো বলেন, ২০১৭ সালে হতদরিদ্রদের (ভিজিডি) তালিকা প্রণয়নে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে একই পরিবারের ৪৮ জন, ৯১ জন দ্বৈত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এবং ৯৪ জন বিত্তশালীসহ মোট ২৩৩ জনকে অন্তর্ভুক্ত করেন অভিযুক্তরা। এ ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দুদকের নজরে আসে। তালিকা প্রণয়নে অসঙ্গতি পেয়ে ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি বাউফল থানায় উল্লিখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন পটুয়াখালীর তৎকালীন দুদক উপ-সহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস। পরে দুদক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে। এরপর তারা জামিনে থাকেন।