অনলাইন ডেস্ক:: চাঁদপুরে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবক মো. ইয়াসিনের মুখে হাসি ফোটালেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ। অন্যের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা নয়, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যবসার জন্য নগদ অর্থ এবং সরকারি খাস জায়গায় দোকানদারি করারও সুযোগ করে দিলেন জেলা প্রশাসক। এতে খুশিতে আত্মহারা শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. ইয়াসিন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ষোলদানা গ্রামের বাসিন্দা মো. ইয়াসিন (২৮)। দরিদ্র ঘরে জন্ম নেওয়া এই যুবক শারীরিক প্রতিবন্ধী। অভাব অনটনে বেড়ে উঠলেও জীবন বাঁচাতে কষ্ট অনেক করেছেন তিনি। বাড়ির কাছে সরকারি জায়গায় অস্থায়ী একটি ঘর তুলেছিলে। কিন্তু পুঁজির অভাবে তাতে কিছুই করতে পারেননি মো. ইয়াসিন।
এক সময় তার মাথায় বুদ্ধি হলো জেলা প্রশাসকের কাছে একটু সহায়তা চাইবে। সত্যি সত্যি সুদূর গ্রাম থেকে জেলা শহরে ছুটে এলেন তিনি। তারপর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরাসরি চলে যান জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের কাছে। খুলে বলেন তার অসহায়ত্বের কথা।
এসময় জেলা প্রশাসকও খোঁজ খবর নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। যেই কথা, সেই কাজ। প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হলো শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. ইয়াসিনকে। শুধু তাই নয়, সরকারি যে জায়গায় দোকান ঘর তোলা হয়েছে। সেখানে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করার বন্দোবস্ত দিলেন জেলা প্রশাসক।
এতে একজন অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধীর মুখে হাসি ফোটালেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ। তিনি জানান, শুধু এমন একজন মো. ইয়াসিন নয়। ইচ্ছা শক্তি আছে অথচ পুঁজির অভাবে এগুতে পারে না। প্রতিবন্ধীত্বের শিকার এমন আরো অসংখ্য মানুষের পাশে থাকতে চান তিনি। যেমনটি চাঁদপুরে যোগ দিয়ে গত ৮ মাসে করেছেন।