বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনা মসজিদে ঢুকে জাফর নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পর পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের সোনাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত জাফর একই এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাফরের ভাইয়ের ছেলে বেল্লালের সঙ্গে বাদলের ছেলে স্বাধীনের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্বাধীনের মা এসে জাফরের ভাইয়ের ছেলে বেল্লালকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এসব দেখে জাফর এসে প্রতিবাদ জানালে বাদলের স্ত্রী জাফরের ওপর চড়াও হয়। এমন সময় মাগরিবের আজান দিয়ে দিলে জাফর পাশের এক মসজিদে নামাজ আদায় করতে যায়। নামাজ শেষ করে জাফর মসজিদে বসে মুসুল্লিদের সঙ্গে দোয়া করছিলেন। এমন সময় বাদল ও তার ছেলে ওলি এসে জাফরকে কোপাতে থাকে।

এলাকাবাসীর সহায়তায় জাফরকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় আত্মীয়রা। জাফরের অবস্থার অবনতি ঘটলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

জাফরের ফুফু রীনা বেগম বলেন, বাচ্চারা ঝগড়া করবে, আবার মিশবে। এটা নিয়ে এত বড় ঘটনা ঘটনার কোনো অর্থ নেই। তাছাড়া এই তুচ্ছ ঘটনাকে নিয়ে মসজিদে ঢুকে কুপিয়ে জখম করেছে বাদল ও তার ছেলে। আল্লাহ ওদের ক্ষমা করবে না।
জাফরের বাবা আফজাল হোসেন বলেন, কেউ আমার ছেলের সম্পর্কে কোনো খারাপ বলতে পারবে না। শুধু শুধু আমার ছেলেকে ওরা বাপ ছেলে মিলে কুপিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
বরগুনা সদর থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর সঙ্গে জড়িত কেউই রেহাই পাবে না।