বরগুনা প্রতিনিধি:: বা থেকে হাদিসুরের ভাই তরিকুল, বোন সম্পা ও মা আমেনা বেগম। অন্য একটা ছবিতে বাবা আব্দুর রাজ্জাকের সাথে মেজো ভাই তরিকুল ইসলাম।’মোর বাজান গেলা কই। ও বাজান তুমি কোমনে আছো। কে মোরে ওষুধ আইনা দেবে। মোর সব শেষ অইয়া গেল।

এহ্যান হাদিস বাজানের কবরডা দেইখা মরতে চাই। আল্লাহ যেন মোর আশাডা পূর্ন করে। ‘ আজ শুক্রবার সকালে ইউক্রেনে ‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজে রকেট হামলায় নিহত হাদিসুর রহমান আরিফের বরগুনার বেতাগীর বাড়িতে হাদিসুরের মা আমিনা বেগমের এমন আহাজারি শুনতে পাওয়া যায়।

বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে শোকে কাতরাচ্ছে বাবা-মা ভাইবোন। বাবা আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার গত বুধবার রাতে মৃত্যু’র খবর শোনার পর থেকেই বাকরুদ্ধ। মানুষের দিকে হা করে তাকিয়ে থাকে। কিছুই বলতে পারেনি সে। কোন কিছু খায়নি। মাঝে মাঝে শুধু নিঃশ্বাস নিচ্ছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ বাড়িতে এসেছিলেন মাস ছয়েক আগে। তবে পরিবারের সঙ্গে নিয়মিতই যোগাযোগ ছিল হাদিসুরের। বুধবার সকালেও বাড়িতে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। জানিয়েছিলেন, আটকে থাকা জাহাজ ছাড়া পেলে শিগগিরই বাড়ি ফিরবেন। বিয়ের জন্য স্বজনেরা মেয়েও দেখে রেখেছিলেন। ঈদের সময় বাড়ি আসলে তার বিয়ের কথা ছিলো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুহৃদ সালেহীন বলেন, ‘ হাদিসুরের লাশ দেশে আনার জন্য সরকার দ্রুত সময়ের মধ্য পদক্ষেপ নিবেন। ইতোমধ্যে বৈদেশিক কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সাথে এ বিষয় নিয়ে কথা বলা হয়েছে। ‘

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান ফোরকান বলেন,’ পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে এ ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য লাশ দেশে আনার ব্যাপারে কাজ করছেন। ‘