অনলাইন ডেস্ক:: নওগাঁর সাপাহারে ঈদের কাপড় ও মাংস কেনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মাধ্যে কলহের জেরে কুলসুম বেগম (২০) আত্মহত্যা করেছেন। স্বামীর ওপর অভিমান করে ওই গৃহবধূ ফাঁস নেন বলে জানা গেছে।

ওই গৃহবধূ উপজেলার ভাতকাড়া মোড়ে বসবাসকারী হানিফ আলীর স্ত্রী ও মালিপুর গ্রামের জিয়ারউদ্দীনের মেয়ে।ঘটনাসূত্রে ও নিহত কুলসুমের স্বামীর দেওয়া ভাষ্য মতে, অভাবের সংসারে ঈদের জন্য স্ত্রীকে একটি নতুন শাড়ি ও খাওয়ার জন্য মাংস কিনে দিতে না পারায় ঈদের রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে।

এরই জেরে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে স্ত্রী কুলসুম ১৩ মাসের সন্তানকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে স্বামীর অজান্তে ঘরের মধ্যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তার স্বামী হানিফ আলী দেখতে পেয়ে স্ত্রীর লাশ নামিয়ে চৌকিতে শুইয়ে শ্বশুরবাড়িতে খবর দেন। এরপর তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন এলে এবং ঘটনা জানাজানি হলে আজ বুধবার সকালে পুলিশ আসে। সাপাহার থানার ওসি (তদন্ত) আলমাহমুদ ও এসআই জিন্নাত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠান।

তবে মৃতের বাবার বাড়ির লোকজনসহ এলাকাবাসীর মুখে এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা নিয়ে বেশ গুঞ্জন শোনা যায়।বিষয়টি নিয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারেকুর রহমান সরকারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে এর সঠিক রহস্য জানা যাবে।