অনলাইন ডেস্ক:: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মাদারীপুরে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে মাঝারি বর্ষণ। সময়ের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে সেটি রূপ নিয়েছে ভারী বর্ষণে।  দুর্ভোগে পড়েছে জনজীবন।আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ ভয়াবহ রুপ নিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর-পশ্চিম উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে।

এর ফলে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে চার নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সিত্রাংয়ের এই প্রভাব পড়েছে মাদারীপুরে। ভারী বৃষ্টিতে চরম বিপাকে পড়েছেন এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এছাড়া জেলার পৌর শহরের অনেক স্থানে বৃষ্টির পানি আটকে পড়ায় বেড়েছে দুর্ভোগ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভারী বর্ষণের কারণে সড়কে নেই মানুষের আনাগোনা। সড়কে যানবাহন চলাচল ছিল খুবই কম। তবে কয়েকজন অটোরিক্সা ও রিকশা চালককে বের হতে দেখা গেছে। এছাড়াও বেসরকারি চাকুরিজীবী অনেকেই মোটরসাইকেল নিয়ে ভিজে ভিজে নিজ কর্মস্থলে ছুটছেন।

শহরের কলেজ রোড এলাকায় মাথায় প্লাস্টিক জড়িয়ে রিক্সা নিয়ে ঘুরতে দেখা গেছে আব্দুল হক নামের এক রিক্সা চালককে। তাঁর সাথে কথা হয় কালের কণ্ঠের এই প্রতিবেদকের। রিক্সা চালক আব্দুল হক  বলেন, ‘সব জিনিস কিন্না খাইতে হয়। ঘরে বইসা থাকলে তো কেউ খাওনা দিয়া আসবো না। রিক্সা লইয়া বের হইছি এখন আল্লাহ মিলাইলে যাত্রী পাইমু।

শরীফবাড়ি এলাকার চায়ের দোকানী সেলিম মোল্লা বলেন, ‘ভোর থেকে এই দূর্যোগ শুরু হইছে। সকাল থেকে দোকান খুলে বইসা আছি, তবে কাস্টমার নাই। বৃষ্টি কমলে হয়তো লোকজন বের হইব তখন হয়তো কিছু কেনাবেচা হইব। ’

এ প্রসঙ্গে মাদারীপুর আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার আবদুর রহিম সান্টু বলেন, ‘সমুদ্রে নিম্নচাপের প্রভাবে সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ ৪০.৪ মিলিমিটিার ও ঘণ্টায় বাতাসের গতি ৩ নটিকাল মাইল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ’