
স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গর্বের বাকেরগঞ্জ এর ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী বরিশালে সংগঠনের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নাজিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়য় সম্পাদক গোলাম রহমানের সঞ্চালনায় ২৫ ডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকায় শহরের একটা রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গর্বের বাকেরগঞ্জ এর বরিশালের সদস্যবৃন্দ, বাকেরগঞ্জেরর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বাকেরগঞ্জ জেলা পুনরুদ্ধার কমিটির সদস্যবৃন্দ।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত দিয়ে শুরু হয়ে অনুষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন গর্বের বাকেরগঞ্জ এর নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত সদস্যবৃন্দ। বক্তব্যে উঠে আসে ২৬৩ বছর পর বাকেরগঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আগা মোহাম্মদ বাকের খানের মাজার উদ্ধার হওয়া। বাকেরগঞ্জের গুণীজনদের তালিকা প্রকাশ করা। বাখর খনি বাকেরগঞ্জের সম্পদ তার ঐতিহাসিক তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের আবেদন করা। নিয়মিত বাকেরগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা। প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময়ে বিশেষ জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা। বাকেরগঞ্জের বিশিষ্ট জনদের নিয়ে প্রতি মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বাকেরগঞ্জের মুখোমুখি নামে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে যাওয়া। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তির লক্ষে বাকেরগঞ্জের বেকার সমাজকে বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে করা। বাকেরগঞ্জবাসীর ন্যায্য অধিকার বাকেরগঞ্জ জেলা পুনরুদ্ধারের লক্ষে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা। প্রাকৃতিক মহামারির সময়ে মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে পত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়ানো এবং বাংলাদেশের প্রথম এবং বিশ্বের ৬ষ্ঠ নৌপাঠাগার, বাংলাদেশের প্রথম এবং বিশ্বের ১১তম পর্যটন পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করার কথা।সর্বশেষে কেক কাটা ও বাকেরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খাবার বাকরখনির বিতরণ করে চায়ের আড্ডা দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।