নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতীক পাওয়ার পর নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সিটি করপোরেশন হবে সবার জন্য উন্মুক্ত। নগরীর অবহেলিত জনপদের রাস্তাঘাট মেরামত, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
নৌকার এ প্রার্থী আরও বলেন, নগরবাসীর মাথার ওপর থেকে বর্ধিত হোল্ডিং ট্যাক্স ফি কমানো ও সিটি থেকে সব অনিয়ম দূর করা হবে। সিটির সব সমস্যা চিহ্নিত করে সবাইকে নিয়ে তা সমাধান করা হবে। বরিশালে সুপরিকল্পিতভাবে নগরায়ন করা হবে।
শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর নতুল্লাবাদে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মেয়র পদে ৭, সাধারণ কাউন্সিলর ১১৬ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৪২ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মিডিয়া সমন্বয়ক মো. মনিরুজ্জামান জানান, সকাল ১০টায় প্রথমে মেয়র প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে প্রতীক দেওয়া হয় সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের মাঝে।তবে সাধারণ কাউন্সিলর পদে একই প্রতীক একাধিক প্রার্থী দাবি করায় লটারির মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
মনিরুজ্জামান বলেন, মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে নৌকা, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসকে লাঙল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো ফয়জুল করিমকে হাতপাখা, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চুকে গোলাপ ফুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী হোসেনকে হরিণ, কামরুল আহসান রূপণকে টেবিল ঘড়ি এবং মো. আসাদুজ্জামানকে হাতি প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।এ দিকে প্রতীক পাওয়ার পরপরই মিছিল সহকারে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। জয়ী হলে বরিশালের উন্নয়নসহ নানা কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন। ১২ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।বরিশাল সিটি করপোরেশনে মোট ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন। নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে ১২৬ কেন্দ্র ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।