গরম থেকে রক্ষা পেতে হাতপাখা কিনছেন সাধারণ মানুষ
চুয়াডাঙ্গায় তীব্র গরমে জনজীবন একেবারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তাপমাত্রার পারদ বেড়ে ঠেকছে ৪০ এর ঘরে। গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিনই বাড়েছে লোডশেডিং। দিন ও রাতের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিং থাকায় অসুস্থ রোগী ও শিশুদের নিয়ে পরিবারের লোকজন পড়ছেন মহাবিপদে। প্রচণ্ড গরমের কারণে রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে শিশুদের কান্নার আওয়াজ। যদিও সারাদেশে আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে সরকার। তীব্র রোদ-গরমের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ পোহাচ্ছেন সীমাহীন ভোগান্তি। দেখা মিলছে না বৃষ্টির। যার কারণে রোদ-গরম বেড়েই চলেছে। একটু শান্তির আশায় মানুষজন ভিড় করছেন ভ্রাম্যমাণ শরবত বিক্রির দোকানে, অবস্থান নিচ্ছেন বিভিন্ন বড়গাছের বাগানে। প্রচণ্ড গরমের কারণে কেউ কেউ আবার কাটাচ্ছেন নির্ঘুম রাত। এদিকে গরমের হাত রক্ষা পেতে অনেকেই ভিড় করছেন ফ্যান, চার্জার ফ্যান, এয়ার কন্ডিশন এবং আইপিএস তৈরি ও বিক্রির দোকানে। কিন্তু সেখানেও শান্তি নাই, ওসব পণ্যেরও দাম বেড়ে গেছে অনেক। শুধুমাত্র ইলেকট্রনিক্স পণ্য নয়, হাতপাখারও দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। কয়েকদিন আগেও যে হাতপাখা বিক্রি হতো ৩৫-৪০ টাকায় তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। এছাড়া ৫০-৬০ টাকার হাতপাখা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার শিয়ালমারী কাঁচাবাজারের এক সবজি বিক্রেতা জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে বেচা-কেনা করতে খুব কষ্ট হচ্ছে। ফ্যান বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে গা ঘেমে স্রোত যাচ্ছে। এজন্য হাতপাখা কিনে নিয়ে আসলাম। কিন্তু কোনোকিছুতেই গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না।
প্রতিবেদক: এম.এ.আর.নয়ন।