আপডেট নিউজ ডেস্ক:: কোরবানির ঈদ সামনে সারাদেশে পশু বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছে খামারিরা। সারা বছর লালন পালন করে এখন হাটে তোলার অপেক্ষায় তারা। এ বছর চাহিদার তুলনায় দেশে কোরবানির পশু বেশি আছে। তবে পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে গরু লালন পালনের খরচ বেড়েছে। তাই দামও বাড়বে বলে জানিয়েছে খামারিরা। খামারে কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ে কোরবানির ঈদের জন্য পশু লালন পালন হয় বছরজুড়ে। এখন সবশেষ প্রস্তুতি চলছে সেই পশু বেঁচাকেনার।

ছোট বড় সব খামারে নানা জাতের ও রঙের বাহারি পশুর পরিচর্যা চলছে। নামে এবং দামেও আছে চমক। খামারিরা জানান, পশুখাদ্য ওষুধসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম দাম বৃদ্ধির কারণে গরু লালন পালনে খরচ বেড়ে গেছে।

দামে বেশি হলেও দেশে এবছর কোরবানির পশুর সংকট নেই। মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসেবে সারাদেশে এবার কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে এক কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। চাহিদা এর চেয়ে কম। গত বছর সারাদেশে পশু কোরবানি হয়েছিলো ৯৯ লাখ ২১ হাজার ৯৪১টি। আর এ বছর এক কোটি ৫ লাখ থেকে এককোটি ১০ লাখের মত পশু কোরবানি হতে পারে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।