অনলাইন ডেস্ক:: ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে এরই মধ্যে রাজধানী ছেড়েছে অসংখ্য মানুষ। ঈদের দিন ভোর থেকেই রাজধানীজুড়ে টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছে। তাই সড়কে সকাল থেকেই নেই তেমন যানবাহনের চাপ। ফাঁকা সড়কে শাই শাই করে ছুটে চলছে গাড়ি।বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে রাজধানীর আজমপুর, এয়ারপোর্ট সড়ক, শাহবাগ, মালিবাগ, মৌচাক, রামপুরা ও খিলগাঁওয়ের মতো ব্যস্ত সড়কে যানবাহনের তেমন কোনো চাপ লক্ষ্য করা যায়নি। কিছু যানবাহন থাকলেও যাত্রীর ছিল আকাল।

জরুরি প্রয়োজনে উত্তরা থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হাসান। তিনি বলেন, উত্তরা থেকে উবারে মাত্র ২০ মিনিটে এসেছি। সড়ক একেবারে শুনশান। রাজধানী ঢাকায় এটা চিন্তাই করা যায় না।এয়ারপোর্ট রেলগেইট এলাকায় কথা হয় পাঠাও চালক ফরিদ মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ঈদের দিন ভোর থেকে সড়কে আছি। ভোরের দিকে কয়েকটা ট্রিপ দিয়েছিলাম। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে কেউ তেমন বাইরে বের হচ্ছে না। আশা করি, বিকেলের দিকে ভালো ট্রিপ পাওয়া যাবে।

খিলক্ষেত বাজার এলাকায় রিকশা চালান মফিজ মিয়া। তিনি বলেন, ঈদের দিন সকাল থেকেই সড়কে তেমন মানুষ নেই। কোরবানির মাংস নেয়া শেষ হলে অনেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে বাইরে বের হবেন। আশা করি তখন যাত্রী পাওয়া যাবে।কামাড়পাড়া টু নিউমার্কেট সড়কে চলাচল করা বিকাশ পরিবহনের ড্রাইভার ফিরোজ মিয়া বলেন, সকাল থেকেই যাত্রীর তেমন চাপ নেই। সড়কও একেবারে ফাঁকা। নিউমার্কেট থেকে উত্তরা আসতে পৌনে এক ঘণ্টা সময় লেগেছে। ফাঁকা সড়কে গাড়ি চালানোর মজাই আলাদা। তবে যাত্রী তেমন নেই। দুপুরের পর যাত্রীর চাপ বাড়বে।