অনলাইন ডেস্ক:: স্বাধীনের সঙ্গে ইমুতে প্রেম হয় তরুণীর। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি ওই তরুণীর পরিবারসহ প্রতিবেশীরাও জানেন। বিয়ের প্রলোভনে তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন স্বাধীন। এরই মধ্যে বিয়ের কথা চলছিল তরুণীর। একপর্যায়ে গায়ে হলুদের দিন প্রেমিক স্বাধীনের কথায় পালিয়ে ঢাকা চলে আসেন ওই তরুণী। কিন্তু স্বাধীনকে না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের ডেমরা বোনের বাড়িতে চলে যান তিনি। পরে ২২ নভেম্বর গুলিস্তান কাপড়ের দোকানে স্বাধীনের সঙ্গে দেখা হয় ওই তরুণীর। প্রেমিকা রেখে দোকান থেকে পালিয়ে যান স্বাধীন। পরে প্রেমিকের গ্রামের বাড়ি এসে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন ওই তরুণী।
ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুর সদরের পশ্চিম আটপাড়া এলাকায়। অনশনরত ওই তরুণীর বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ এলাকায়। প্রেমিক আতিকুল ইসলাম স্বাধীন সরদার উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নের পশ্চিম আটপাড়া গ্রামের কৃষক জুলহাস সরদারের ছেলে। স্বাধীন ঢাকা গুলিস্তান একটি কাপড়ের দোকানের কর্মচারী।অনশনরত তরুণী জানান, নয় মাস ধরে স্বাধীনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। বন্ধুর মাধ্যমে স্বাধীনের সঙ্গে ইমুতে প্রথমে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি ওই তরুণীর পরিবারসহ প্রতিবেশীরাও জানেন। বিয়ের প্রলোভনে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কও করেন স্বাধীন। গত ১৭ নভেম্বর ওই তরুণীর বিয়ের কথা ছিল।
১৬ নভেম্বর গায়ে হলুদের দিন ছিল। গায়ে হলুদের দিন সে প্রেমিক স্বাধীনকে তার বিয়ের বিষয়ে জানান। পরে স্বাধীন বিয়ের প্রলোভন দেখালে ওইদিন বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকা চলে আসেন ওই তরুণী। কিন্তু স্বাধীনকে না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের ডেমরা বোনের বাড়িতে চলে যান তিনি। পরে ২২ নভেম্বর গুলিস্তান কাপড়ের দোকানে স্বাধীনের সঙ্গে দেখা হয় ওই তরুণীর। প্রেমিকা রেখে দোকান থেকে পালিয়ে যান স্বাধীন। তাই ওইদিন বিকেলে স্বাধীনের গ্রামের বাড়ি এসে অনশন শুরু করেন ওই তরুণী।
ওই তরুণী আরো জানান, স্বাধীন তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। যেহেতু স্বাধীনকে তিনি ভালোবাসেন তাই কোনো উপায় না পেয়ে গত ২২ নভেম্বর তার বাড়িতে এসে ওঠেন তিনি। বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকিসহ আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান তরুণী।স্বাধীনের বাবা জুলহাস সরদার বলেন, আমার বাড়িতে যে মেয়ে এসেছে তার সঙ্গে আমার ছেলের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি যদি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেন; তাহলে আমি ওই মেয়েকে ছেলের বউ হিসেবে মেনে নেব।চিকন্দী পুলিশ ফাঁড়ির (ইনচার্জ) আইসি শরীফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি আইনের আশ্রয় নিবে বলে আমাকে জানিয়েছেন।