অনলাইন ডেস্ক:: ঈদুল আজহা সামনে রেখে বগুড়ার হাটগুলোতে প্রতি বছরই গরু, ছাগল ও মহিষের পাশাপাশি দেখা মেলে দুম্বার। এবার জেলার বনানীতে সুলতানগঞ্জ পশুর হাটে দেখা মিলেছে দুম্বার। দুম্বাটি হাটে আসা মানুষের নজর কেড়েছে। সাদা রঙের দুম্বাটির দাম হাঁকা হয়েছে ৪ লাখ টাকা।
শুক্রবার জেলার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউপির কদমতলী এলাকার রাকিবুল ইসলাম সাগর কোরবানি উপলক্ষে দুম্বাটি হাটে আনেন।
দুম্বার মালিক সাগর বলেন, আড়াই বছর আগে ঢাকা থেকে পাঁচটি দুম্বা কিনে কোরবানি ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করি। এর মধ্যে তিনটি বিক্রি করেছি। বাড়িতে একটি আছে আর একটি হাটে নিয়ে এসেছি। এই দুম্বার চারটি দাঁত। মাংস হবে প্রায় ১০০ কেজি। দাম চেয়েছি ৪ লাখ টাকা। এখন পর্যন্ত তিন লাখ টাকা দাম করেছেন ক্রেতারা। দরদামে মিলে গেলে সাড়ে তিন লাখ টাকায় দিয়ে দেব।
সুলতানগঞ্জ হাটে ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা দামের গরু বেশি বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ১৫ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে ক্রেতা ছাগলও কিনছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির জন্য জেলায় ৪৮ হাজার ৪৫৩ জন খামারি ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫১টি পশু রয়েছে। প্রস্তুতকৃত পশুর সঙ্গে এবার বেড়েছে কোরবানির পশুর চাহিদা। জেলায় এবার কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৫টি। যা গত বছরের তুলনায় ৮ হাজার বেশি। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে গরু ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১ টি, ছাগল ৪ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭টি, ভেড়া ও গারল ৩৯ হাজার ৮৫১টি এবং মহিষ ২ হাজার ২৬৬টি। এসব পশু এবার জেলায় চাহিদা পূরণ করেও ২৯ হাজার ১৫৫টি উদ্বৃত্ত থাকবে।
জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত কোনোভাবেই নেয়া যাবে না। প্রতিটি হাটেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নিয়মিত মনিটরিং করছেন।