সোয়েব রনি: গত ৫ই অক্টোবর শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার সময় নগরীর সাউথ এ্যাপোলো ডায়গনিস্টিক থেকে ডিউটিরত কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বিএনপির অফিস পোড়ানো মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে গতকাল আদালতে প্রেরন করলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। জানা গেছে হালিম রেজা মোফাজ্জেল টানা ১৫ বছর ক্ষমতার দাপটে টেন্ডার নিয়ন্ত্রন সহ ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি করেছেন।

সাউথ এ্যাপোলো ডায়াগনিস্টিক ও এ্যাপলো মেডিকেল কলেজের এমডি ও চেয়ারম্যানের পদে প্রভাব খাটিয়ে একক আধিপত্য বিস্তার করেন।

বে-পরোয়া মোফাজ্জলের বিরুদ্ধে প্রতিস্ঠানের একাধিক নারী কর্মচারী নির্যাতন ও তার মতের বাইরে গেলে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন ভুয়া ভাউচার দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

ঢাকায় একাধিক ফ্লাট বরিশালে বিলাস বহুল বাড়ি ও গাড়ি করেছেন।অন্যের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার সকল অসৎ আয়ের একমাত্র মাধ্যম ছিলো প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াউল হক উজ্জল।
ক্ষমতার দাপটে অন্যান্য শেয়ার মালিকরাও ছিলো তটস্থ। বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ, আওয়ালীগ নেতা এমএ আউয়াল চৌধুরী ভুলু, প্রয়াত ইঞ্জিনিয়ার শহিদের স্ত্রী মোহসেনা সহ একটি সিন্ডিকেট পাহাড় সমান ক্ষমতা দিয়ে অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করে বহু অর্থ কামিয়েছেন। এছাড়াও বিএনপি জামাত দমন পীড়নে মালিক পক্ষের এই ৪/৫ জনের ভুমিকা রাজ পথের পাশাপাশি আওয়ামীলীগকে ডোনেশনও তাদের ভুমিকা অনেক।

এ্যাপোলোর আওয়ামীলীগ পন্থী কর্মচারীরাও নেতাদের হুকুমে উজ্জলের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা কর্মীদের পেটাতে লাঠিসোটা নিয়ে রাজ পথে দেখা গেছে। ফলে ৫ আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর ক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা সর রোড এ্যাপোলোতে হামলা চালায়। বহু দিন পালিয়ে থাকার পর গোপনে এ্যাপোলোতে চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা এমডি দায়িত্বে থাকা মোফাজ্জেল অফিস করেন। হালিম রেজা গ্রেফতার হলেও জেবুন্নেছা সহ অন্যান্য নেতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছে।