অনলাইন ডেস্ক:: ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে বিএনপিকে নিয়ে সমালোচনা করায় মর্মাহত হয়ে ছিলেন বিএনপি নেতা সুরুজ পাঠান। এরপর থেকেই প্রতিজ্ঞা করেন দল ক্ষমতায় না আসলে জুতা পরবেন না। সেই থেকে তিনি আর জুতা পরেননি। জুতা না পরার কারণে অনেকেরই হাসি ঠাট্টার পাত্র হয়েছিলেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসায় নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ভুঁইয়া স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের নিয়ে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সুরুজ পাঠানকে জুতা পরিয়ে দেন।
জানতে চাইলে ওয়ার্ড বিএনপির নেতা সুরুজ পাঠান বলেন, ‘২০০৮ সালে নির্বাচনের দিন কেন্দ্র থেকে আমাকে অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছিল। এসময় আমার পায়ের জুতা ফেলে চলে আসতে হয়েছিল। এরপর আর কোনোদিন জুতা পরিনি। এজন্য বাড়ির লোকজন, প্রতিবেশিরা আমাকে নিয়ে অনেক হাসি ঠাট্টা করেছে। আমি বলেছি বিএনপির ক্ষমতায় না এলে আর জুতা পরবো না। এবার বিএনপি ভোটে জিতেছে। তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান জুতা নিয়ে এসে আমাকে পরালেন। আমি খুব আনন্দিত।’
এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে সুরুজ পাঠান বলেন, ‘এই আসনের এমপি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে নিয়ে তারেক রহমানের কাছ থেকে জুতা পরিধান করে আমি যেতে চাই।’জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বলেন, ‘সুরুজ পাঠান আমার এলাকার মানুষ। তিনি বিএনপির রাজনীতি করেন বলে ২০০৮ সালে থাকে কেন্দ্র থেকে বের করে অপমান করা হয়। নির্যাতন করা হয়। এ সময় জুতা পেলে পালিয়ে জীবন বাঁচানোর জন্য দৌড়ে পালান। সেদিন থেকে তিনি আর জুতা পরেননি। তাই আজ নতুন জুতা কিনে এনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে তাকে জুতা পরিয়েছি। শুধু সুরুজ পাঠান নয় এমন শত শত নেতাকর্মীদের নির্যাতন করেছে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টরা ‘