নিজস্ব প্রতিবেদক:: ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে যাওয়ার পথে কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ নিহত মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি আব্দুল মমিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা জানাজা শেষে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামে শ্বশুর বাড়ির কবরস্থানে পাশাপাশি কবরে চারজনকে দাফন করা হয়।

নিহতদের জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন বশাহাজী পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ। তিনি নিহত মমিনের শ্যালক। নিহত মমিন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলী মাস্টারের বাড়ির মৃত ইউনুস মুন্সীর ছেলে। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।

নিহত অন্যরা হলেন- মমিনের স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭) ও মেয়ে লাবিবা (১৮)। ঝর্ণা খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদের বোন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ তারা মারা যান। এ ঘটনায় প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন। তার বাড়ি বরিশাল জেলায়।

স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কর্মস্থলে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন মমিন ও তার পরিবার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে তাদের মৃত্যু হয়।

মুফতি আব্দুল মমিন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। তবে নিজ গ্রামে জমিজমা না থাকায় পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। ঈদের সময় তিনি নিয়মিত শ্বশুরবাড়ি লক্ষ্মীপুরের তিতারকান্দি গ্রামে আসতেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আমার বোন, ভগ্নিপতি ও তাদের দুই সন্তান মারা গেছেন। পাশাপাশি কবরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।