নিজস্ব প্রতিবেদক:: গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গোপালগ‌ঞ্জে তাদের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। শনিবার (৯ মে) ভোরে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় রাউতকোনা গ্রামের ফোরকান মিয়ার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের পাইকান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লার মেয়ে শারমিন আক্তার (৩৫) ছেলে রসুল মোল্লা (১৮), শারমিনের তিন মেয়ে মিম আক্তার ( ১৪), হাবিবা (১০) ও ফারিয়া (২)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আনুমা‌নিক ২০ বছর আগে একই উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি গ্রামের আতিয়ার মোল্লার ছেলে ফোরকান মোল্লার সঙ্গে সামাজিকভাবে বিয়ে হয় শারমিন বেগমের।কয়েক বছর শশুরবাড়ি থাকার পর শারমিনকে নিয়ে প্রথমে ঢাকা ও ছয় মাস আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় গিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতে শুরু করেন পরিবারসহ। ফোরকান নিজের প্রাইভেটকার চালিয়ে সংসার চালাতেন।

 পারিবারিক কলহের কারণে এক বছর আগে বাবার বাড়িতে চলে আসেন শারমিন। পরে ফোরকান শশুরবাড়ির লোকদের বুঝিয়ে তার পরিবারে ফিরিয়ে নেন শারমিনকে।নিহত শারমিন ও রসুলের মা ফিরোজা বেগম (৬০) বলেন, গতকাল শুক্রবার ফোরকান মোল্লা চায়না কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে রসুলকে তার ভাড়া বাসায় ডেকে নেয়। রসুল মোল্লা তার বড় বোন ফাতেমা বেগমের বাসায় থেকে গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। আজ সকালে ফোরকানের ভাই জব্বার মোল্লা মোবাইল ফোনে কল করে জানায় ফোরকানের বাসার সবাই মারা গেছে। তখন রসুল মোল্লাসহ অন্যদের মোবাইল ফোনে কল করলে তা বন্ধ পায়। পরে স্বজনরা গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ওই বাসায় গেলে লোমহর্ষক এ ঘটনা দেখতে পায়।