নিজস্ব প্রতিবেদক।। গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের সুপরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, উপজেলা যুবদলের নেতা ও বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী খোকন ফকির দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলীয় কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি দলীয় আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় থেকে নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কারণে হামলা, মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন খোকন ফকির। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিক রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়ে কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। নানা প্রতিকূলতা, চাপ ও নির্যাতনের মুখেও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বরং বিএনপির রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে আরও বেশি সম্পৃক্ত রেখেছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে খোকন ফকির বাটাজোর ইউনিয়নে একটি পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করা এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

আসন্ন বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তার প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তার সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাকে চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
খোকন ফকিরের সমর্থকরা মনে করেন, তিনি নির্বাচিত হলে বাটাজোর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। একই সঙ্গে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গঠনে কাজ করবেন বলেও তাদের প্রত্যাশা।

দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, মামলা-হামলা, কারাবরণ এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে অব্যাহত সক্রিয়তার কারণে খোকন ফকিরকে বিএনপির একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে অভিহিত করছেন দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।