নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল।।গৌরনদী উপজেলার ৬ নং বাটাজোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের কারণে যুবদল নেতা কামরুল আহসান রাসেলের নামও আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামরুল আহসান রাসেলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের শুরু ২০০৩ সালে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন বলে তার ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৬ নভেম্বর এবং ২০২২ সালের ১৮ আগস্ট তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে এবং তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এরপর ২০২৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আবারও হামলার শিকার হন রাসেল। ওই ঘটনায় তার সঙ্গে গৌরনদী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মনির মাস্টারও গুরুতর আহত হন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে প্রেস নিউজ প্রকাশ করা হয়েছিল বলে তার ঘনিষ্ঠজনেরা জানান।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজেও সম্পৃক্ত রয়েছেন কামরুল আহসান রাসেল। স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সুখে-দুঃখে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করেন।
স্থানীয়দের দাবি, ৫ আগস্টের পর বাটাজোর ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দিরে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে রাত জেগে পাহারায় অংশ নেন। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি ভূমিকা রাখেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কামরুল আহসান রাসেল বাটাজোর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাটাজোর রাবেয়া ফজলে করিম মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আলহাজ্ব সামসুল হক হাওলাদারের সন্তান। স্থানীয়ভাবে সামসুল হক হাওলাদারকে ইউনিয়নের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্মরণ করেন অনেকে।
বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কামরুল আহসান রাসেলকে অনেক ভদ্র ও হাস্যোজ্জ্বল স্বভাবের মানুষ হিসেবে মনে করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে কথা বলা এবং তাদের বক্তব্য গুরুত্ব দিয়ে শোনার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন তার সমর্থকেরা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাসেল দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। দলীয় পরিচয়ের প্রভাব বিস্তার না করে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে চলার চেষ্টা করেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
এদিকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। সেই আলোচনায় কামরুল আহসান রাসেলের নামও উঠে আসছে। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে এমনটাই বিশ্বাস করেন তার সমর্থক ও সাধারণ জনগন কারন হিসাবে এক কথায় বলেন তিনি তার বাবার আদর্শ অনুসরণ করে চলেন তাই তিনি তার বাবার মত ইউনিয়নের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখবেন কিন্তু তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করার হোলে তাকে মুঠো ফোন পাওয়া যায় নাই, বিশেষ মাধ্যমে খোজ নিয়ে যায় তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।