নিজস্ব প্রতিবেদক।।বরিশালের উজিরপুরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টি.আর.) কর্মসূচির আওতায় গণশৌচাগার নির্মাণ প্রকল্পে নতুন নির্মাণসামগ্রীর পরিবর্তে পুরাতন ইটসহ ব্যবহৃত সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি।

 

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় উজিরপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ‘উজিরপুর সরকারি ডব্লিউ বি মডেল ইনস্টিটিউশন সংলগ্ন গণশৌচাগার নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

 

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মেহেদী হাসান ভূঁইয়া অনুমোদিত প্রাক্কলন অনুযায়ী নতুন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার না করে প্রভাব খাটিয়ে পুরাতন টয়লেটের ইটসহ ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী দিয়ে নির্মাণকাজ করেছেন।

 

স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রকল্পস্থলে কর্মরত রাজমিস্ত্রি নাসির হোসেন কিছু পুরাতন ইট ট্যাংকির কাজে ব্যবহার করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

এদিকে প্রকল্পের বরাদ্দ, প্রাক্কলন, বিল-ভাউচার, নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের কাগজপত্র এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিমাণ যাচাই করে প্রকৃত ব্যয় নিরূপণের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পুরাতন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত প্রকল্প সম্পাদক মেহেদী হাসান নিজেই পুরাতন টয়লেটের সামগ্রীসহ ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী নতুন টয়লেট নির্মাণে ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সুজা জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।