জাকির হোসেন হাওলাদার:: বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে যৌথ গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাবনা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১টায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমি-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবরেশনের আওতায় অস্ট্রেলিয়ার ইউরালা কাউন্সিল, ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, এসিআই ফার্টিলাইজার বাংলাদেশ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত এ যৌথ গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাবনা হস্তান্তর করা হয়।প্রস্তাবিত প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বরিশাল সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করা। বিশেষ করে পাইরোলাইসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও রিসাইক্লিংয়ের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করা হবে। অস্ট্রেলিয়ার একটি কোম্পানি পাইরোলাইসিস প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্জ্য রিসাইক্লিং কার্যক্রমে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করায় বরিশাল সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এ গবেষণা প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত গবেষণা প্রকল্পের প্রজেক্ট লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইংল্যান্ডের শিক্ষক প্রফেসর ড. শামীম মিয়া।প্রকল্পের প্রজেক্ট মেম্বার হিসেবে রয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. খোকন হোসেন এবং জেএসপিএস-ইউজিসি বাই-ল্যাটারাল জয়েন্ট রিসার্চ প্রজেক্টের প্রজেক্ট মেম্বার ও স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার।সংশ্লিষ্টরা জানান, এ গবেষণা বাস্তবায়িত হলে বরিশাল নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।এদিকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান উন্নীত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও কাজ করে যাচ্ছেন।