চরফ্যাসনে চৈতী’র ময়না তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: May 21, 2022

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

চরফ্যাসন( ভোলা), চরফ্যাসন৷ ভোলার চরফ্যাসনের গৃহবধূ শাশ্বতী রায় চৈতী’র অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, থানা-পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রতিবাদ এবং সিআইডি কর্তৃক সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চৈতীর পরিবার৷ ২১ মে চরফ্যাসন প্রেসক্লাবে দুপুর ১২ টায় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চৈতীর বাবা সুভাষ চন্দ্র রায়৷

সংবাদ সম্মেলনে সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, ঘটনার প্রথম থেকে চরফ্যাসন থানা পুলিশ আসামি পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে একে আত্মহত্যা বলে প্রমাণিত করার চেষ্টা করে আসছে৷ পুলিশ ঝুলন্ত অবস্থা থেকে লাশ নামিয়ে ঘটনাস্থলে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেনি, এমনকি সুরতহাল রিপোর্ট কোথায় তৈরি করা হয়েছে তাও আমরা জানিনা। নিহত চৈতীর বাবা বলেন, ঘটনার পরদিন থানায় আমি হত্যা মামলা করতে গেলে ওসি (তদন্ত) নিজেই মামলা লিখে আমার বিপর্যস্ত মানসিকতার সুযোগে আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলায় আমার থেকে স্বাক্ষর নেন। তিনি আরও বলেন, আমি এবং আমার পরিবার প্রথম থেকে দাবি করে আসছি যে, চৈতী কে খাবারের সাথে চেতনানাশক কিছু খাইয়ে শশুর-শাশুড়ি মিলে হত্যা করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে৷ পুলিশের রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে যে পোস্টমর্টেম হয়েছে তাতে নাকি কোনো ফরেনসিক টেস্ট বা ভিসেরা টেস্ট করা হয়নি৷ তাই পোস্টমর্টেম রিপোর্টে প্রদত্ত আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের সাথে আমরা একমত হতে পারছি না৷ তদন্ত কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের উপর আমাদের যে অবিশ্বাস ছিলো পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পেয়ে তা সত্যি হয়েছে৷ এমন অবস্থায় আমরা পুনরায় লাশের পোস্টমর্টেমসহ পক্ষপাতমুক্ত সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলাটি পিবিআই বা সিআইডিতে স্থানান্তরের দাবি জানাচ্ছি৷

উল্লেখ্য চরফ্যাসন পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড কলেজ পাড়ার সুভাষ চন্দ্র রায় এর মেয়ে শাশ্বতী রায় চৈতীর সাথে গত ১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ খ্রি: তারিখে পার্শ্ববর্তী সমির মজুমদার এর বড় ছেলে মানস মজুমদার শাওন এর পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়৷ ৫ মার্চ ২০২২ খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাতে গৃহবধূ চৈতীর লাশ শশুর বাড়িতে কক্ষে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে৷

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network