আপডেট: May 4, 2022
নিজস্ব প্রতিবেদক : চরফ্যাসনের দুলারহাট থানাধীন নীলকমলের মুন্সীর হাট বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা
বিনিময়কালে চেয়ারম্যানের উপর সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে
হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার (৩মে) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে দুই চেয়ারম্যান এর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০জন আহত হয়।
আহতদের উদ্ধার করে
চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত
একজনকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে রেফার্ড করা
হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। এঘটনায় মুন্সীরহাট
বাজারে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহত নুরুল
হুদা (৩০) বলেন, বিকেলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বর্তমান চেয়ারম্যান
শুভেচ্ছা বিনিময় করার সময় পাশেই সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল
হোসেন লিখন ও তাঁর লোকজন একটি ক্লাব উদ্বোধন করছিলেন।
এসময় বর্তমান চেয়ারম্যান আলমগীর হাওলাদারকে একা পেয়ে সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন
লিখনের নেতৃত্বে টুটুল, ইকবাল মুন্সী,জাহাঙ্গীর মুন্সী,রনি, জনি, আলামিন শুভ, নুরনবী আওলাদ সহ অর্ধশতাধিক লোকজন নিয়ে হামলা করে।
এসময় স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা চেয়ারম্যানকে রক্ষা করতে এগিয়ে
গেলে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেধে যায় ।
প্রায় ৪ঘন্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৩০জন
আহত হয়। হামলায় প্রায় ১০টি মটর সাইকেল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। হামলা পরবর্তী স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও
দুলারহাট থানা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিয়ে শোডাউন ও
সমাবেশ করেন চেয়ারম্যান আলমগীর হাওলাদার। তিনি অভিযোগ করে
বলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন লিখন স্থানীয়
বিএনপি’র সন্ত্রাসীদের নিয়ে একটি ক্লাব উদ্বোধনের সময়
আমি ওই এলাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় কালীন জিজ্ঞেস করি
এটা কিসের ক্লাব আর তাতেই সাবেক চেয়ারম্যান লিখন ও তার ক্যাডার বাহিনী আমাকে একা পেয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও লাঠিঁসোঠা দিয়ে হামলা করে। এসময় তাদের
অস্ত্র ও ইটের আঘাতে আমার দলীয় কর্মী এবং সমর্থকরা আহত হয়।
আমি এই সন্ত্রাসীদের আইনের মাধ্যমে সুষ্ঠ বিচার কামনা করি।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন
লিখন বলেন, আমি ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে গেলে আলমগীর
হাওলাদার ও তাঁর লোকজন আমাদের উপর হামলা করে আমার ১০-১২জন কর্মীকে আহত করে। দুলারহাট থানার ওসি মোরাদ
হোসেন বলেন,আইন সৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতয়েন করা হয়েছে।

