আপডেট: May 11, 2023
গলাচিপা প্রতিনিধি:: গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপে একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাল্য বিয়ের ঘটনায় বর ও কনে পক্ষের অভিভাবকে ৩২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বড় গাবুয়া গ্রামে। বুধবার (১০ মে) বিকেল ৪টায় এ ঘটনা ঘটে।
কনে বড় গাবুয়া গ্রামের হারুন সরদারের মেয়ে। আর বর হচ্ছেন বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের মুন্সীর হাট এলাকার বাসিন্দা।গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার গোলখালী ইউনিয়নের একটি বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হয়। কনের বয়স ১৪ বছর। সে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বে তার মাদরাসা। তার শ্রেণি রোল নম্বর ৭।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই কনের বাড়িতে রান্নাবান্না চলছিল। বিয়ের আয়োজনের অংশ সামিয়ানা টাঙানো হয়। উৎসবের পরিবেশ বিরাজ করছিলো বাড়িতে। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফা, গোলখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার বাল্য বিবাহ নিয়ে কাজ করে সুশীলন এনজিও প্রতিনিধি, পুলিশ ও আনসার নিয়ে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় জাল জন্মনিবন্ধন দেখিয়ে বিয়ের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পরে বর ও কনের পিতাকে বাল্য বিবাহের সহযোগিতা ও সম্পাদনা করার জন্য বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ওই ছাত্রী প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেয়া হবে না, এই মর্মে বর ও কনের অভিভাবকদের নিকট হতে মুচলেকা নেওয়া হয়।

