খুলনা-চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান
আপডেট: মে ১৮, ২০২০
ফেইসবুক শেয়ার করুন
খুলনা-চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান
আপডেট:
Photo Card
Preview
খুলনা-চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান
আপডেট নিউজ ডেস্ক:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ উত্তর দিকে আরো অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়েছে। যেটি ক্রমশই গতি বেড়ে ভয়াবহ হচ্ছে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। রোববার মধ্যরাতে আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৭৫, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ১২১০, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১২০০ এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। এটি শিগগিরই আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পায়ে।পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে (মঙ্গলবার) শেষরাত থেকে ২০ মে (বুধবার) বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল...
আপডেট নিউজ ডেস্ক:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ উত্তর দিকে আরো অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়েছে। যেটি ক্রমশই গতি বেড়ে ভয়াবহ হচ্ছে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
রোববার মধ্যরাতে আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৭৫, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ১২১০, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১২০০ এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’।
এটি শিগগিরই আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পায়ে।পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে (মঙ্গলবার) শেষরাত থেকে ২০ মে (বুধবার) বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর বিক্ষুব্ধ থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ কি. মি.। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আসন্ন এ ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং করণীয় বিষয়ে রোববার দুপুরে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পানি সচিব কবির বিন আনোয়ার জানান, ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে যা খুলনা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে আঘাত করতে পারে। তবে বায়ু প্রবাহের পরিবর্তনের ভিত্তিতে এটি উড়িষ্যা ও সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উপকূলেও আঘাত করতে পারে।