আপডেট নিউজ: প্রাণাঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবিলায় বরিশাল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির জরুরি সভায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে দেয়া ডিসি এসএম অজিয়র রহমান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লকডাউন ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে জেলার মেহেন্দিগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত দু’জন শনাক্ত হয়েছে। এরা দু’জন বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, লকডাউন চলাকালে জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়ক/মহাসড়ক ও নৌপথে অন্য কোন জেলা হতে কেউ এ জেলায় প্রবেশ করতে কিংবা অন্য কোনো জেলায়...
আপডেট নিউজ: প্রাণাঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবিলায় বরিশাল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির জরুরি সভায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে দেয়া ডিসি এসএম অজিয়র রহমান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লকডাউন ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে রোববার বিকেলে জেলার মেহেন্দিগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত দু’জন শনাক্ত হয়েছে। এরা দু’জন বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, লকডাউন চলাকালে জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়ক/মহাসড়ক ও নৌপথে অন্য কোন জেলা হতে কেউ এ জেলায় প্রবেশ করতে কিংবা অন্য কোনো জেলায় যেতে পারবে না।
এছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন, জনসমাগম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিসেবা, চিকিৎসা সেবা, কৃষি পণ্য, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ ও কর্মী ইত্যাদি এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে ঘোষিত অন্যান্য জরুরি পরিসেবা এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।
এ আদেশ ১২ এপ্রিল রোববার থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রোববার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে করোনা পরীক্ষার ল্যাবে দু’জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিত পাওয়া যায়। এরা হলেন- বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলশকাঠি ইউপির বাসিন্দ এবং অপরজন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চর গোপালপুর ইউপির কাজীরচর গ্রামের বাসিন্দা।
গত ৮ এপ্রিল এরা দু’জনই জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যাথাসহ করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়। ১১ এপ্রিল তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য শেবামেক এর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে পাঠানো হয়।
রোববার দুপুরে এদের পরীক্ষার রিপোর্টে করোনাভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়ে বলে জানিয়েছেন ডিসি এসএম অজিয়র রহমান। তাদের দু’জনকে আইসোলেশনে রাখার পাশাপাশি ওই দু’জনের বাড়ি এবং পরিবারের লোকদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।