আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক।।,বরিশাল জেলা প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে চলছে শতাধিক ফার্মেসি (ওষুধের দোকান)। ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিষ্ট ছারাই ছাড়া ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসন অধিদপ্তরের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না এসব ফার্মেসিতে। লাইসেন্স বিহিন এসব ফার্মেসিতে বিক্রি করা হচ্ছে নকল,ভেজাল ও নিন্মমানের ওষুধ। অনেকেেই এসব ফার্মেসির ওষুধ সেবন করে নান ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় পরেছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এস ফার্মেসির বিরুদ্ধে কিছুদিন আগে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আবারও অভিযান চালানো হবে। সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, উজিরপুর পৌরসভাসহ, শোলাক ইউনিযনের ,ধামুরা বন্ বন্ধর,সেনের হাট , শোলক বাজার, শাতলা,
হারতা বাজার,জল্লা,ওটরা,বড়াকোঠা,বামরাইল,ঈদগা মার্কেট ,শিকারপুর বন্ধর ও গুঠিয়া ,ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ন স্থানে,ব্যাঙ্গের ছাতার মত হাট-বাজারে, আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে শতাধিক ফার্মেসি।
এর মধ্যে অনেক ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স নেই। লাইসেন্সবহিীন এসব ফার্মেসিতে অদক্ষ বিক্রয় কর্মীরা ওষুধ বিক্রি করেছেন। ওষুধ বিক্রেতাদের অনেকে নিজেদের ডাক্তার পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং নিজেই রোগীদের চিকিৎসা করেন। কিন্তনিয়ম হচ্চে যাদের পার্মাসিষ্ট সনদ রয়েছে শুধু তাদেরকেই ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়া হবে। তবে এখানকার অনেক ফার্মেসিতে কোনো ফার্মাসিষ্ট নেই। মানসম্পন্ন ওষুধ এবং ওষুধের যৌক্তিক ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধি করতে ইতিমধ্যেফার্মেসি এবং ওষুধের দোকিান স্থাপন ও পরিচালনার জন্য একটি নির্দেশিকা অনুযায়ী লেভেল-১ ওষুধের দোকানে থাকবেন কমপক্ষে একজন স্নাতক ডিগ্রিধারী ফার্মা সিষ্ট। লেভেল-২ ওষুধের দোকানে থাকবেন কমপক্ষে ডিপ্লোমাধারী ফার্মাসিষ্ট। যেসব ফার্মেসিগুলোয় ফার্মাসিষ্ট নেই তাদের ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়াযাবে না বলে আদেশ জারি হলেও তা মানছে না অনেকই । উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা, শওকত আলী এর সত্যতা স্বীকারকরে বলেন, উজিরপুরে অনেক ওষুধের দোকান রয়েছে। তবে হাতেগোনা কয়েকটি ফার্মেসিতে ডিপ্লোমাধারী ফার্মাসিষ্ট রয়েছে। ১৯৪৬ সালের ড্রাগ রুল অনুযায়ী ফার্মাসিষ্ট ও ড্রাগ লাইসেন্স ব্যতীত ওষুধ মজুত,প্রদর্শন ও বিক্রয় শান্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি আরও বলেন, মাদেরকেতো সরকার ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়নি যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করব। এটা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের বিষয়। উজিরপুর ওষুধ ব্যবসায়ী ড্রাগস কল্যাণ সমিতির নামে কোনো কমিটিও নেই।নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক ফার্মেসির মালিক বলেন, এই ইপজেলায় যে যার মতো করে ওষুধের ফার্মেসি দিয়ে বসে পড়েছেন। হাতেগোনা কয়েকজনের ফার্মাসিষ্ট সার্টিফিকেট রয়েছে। আর অনেকেরই ড্রাগ লাইসেন্স নেই। করোনার সময় ওষুধ ব্যবসায়ীরাই রোগীদের সেবা দিয়েছেন। কোনো ডাক্তার ,হাসপাতাল কিংবা নিজস্ব চেম্বারে কাউকে পাওয়া যায়নি। জ্বর, ঠান্ডাজনিত রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ফার্মেসি থেকে। বরিশাল ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তও্বাবধায়ক অদিতি স্বর্ণা জাানান, ইতিমধ্যে ৩৮২ জনকে সরকারিভাবে ড্রাগ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। ফার্মাসিষ্টের সনত না থাকা আরও শতধিক ফার্মেসিকে ড্রাগ লাইসেন্স দিতে পারি নাই। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রণতি বিশ্বাস বলেন,৩-৪ মাস আগে বরিশাল ড্রাগ সুপারভাইজারকে নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। এখন যদি আবার মনে হয় যে, তার নিয়ম মানছে না, তাহলে পুনরায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করব।

