২৮শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে সহস্রাধিক চাকমা নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান বরিশালে হাতপাখার পক্ষে প্রচারণায় ঝড় তুলেছেন নারী কর্মীরা পবিপ্রবির হলে রুম না পেয়ে প্রভোস্ট অফিসে শিক্ষার্থীদের তালা বিএনপি ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান পাথরঘাটায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় নারী হেনস্থার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মানিকছড়িতে যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা: দুই আসামি গ্রেফতার ফটিকছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২ সন্ত্রাসী আটক ‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে

কুড়িগ্রাম পুলিশের মনিটরিং সেলের সফলতা:জোড়া খুনের আসামী ঢাকায় গ্রেফতার

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।   কুড়িগ্রাম বেলগাছায় দুই বছর পূর্বে সংঘটিত জোড়া খুনের পলাতক আসামী আলমগীর ওরফে আলমকে গ্রেফতার ও তদন্তে মামলার রহস্যজট উন্মোচিত হয়েছে। কুড়িগ্রামের মানবিক পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলামের গঠিত জেলা পুলিশ মনিটরিং সেল এর সুফল পেতে শুরু করেছে পুলিশ। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সকল মামলার তদন্ত ও আসামী সনাক্ত সহ গ্রেফতারে এর সুফল পাচ্ছে জেলা পুলিশ কুড়িগ্রাম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই বছর পুর্বে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের পূর্ব কল্যাণ ভোগরাম এলাকার ক্ষেতের ডিপ মেশিন ঘরে জাহাঙ্গীর ও সেলিনাকে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও হত্যার পূর্বে সেলিনাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠে এবং ময়না তদন্তের পর তা নিশ্চিত হয় পুলিশ। গত এক বছরে মামলার তদন্তে তেমন অগ্রগতি না আসলেও কুড়িগ্রামে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদানের পর এরকম গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত কার্যক্রম তদারকিতে তিনি পুলিশ মনিটরিং সেল গঠন করেন।

পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়, পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক কুড়িগ্রাম সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উৎপল রায় ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নুরুন্নবী ব্যাপক তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করে আসামীদের দুইজন গ্রেফতার হয় ও মুল আসামী আলমগীর ওরফে আলম দাড়ি রেখে নিজের চেহারা পরিবর্তন করে ভিন্ন নাম ব্যবহার করে ঢাকা ও সাভারের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করার বিষয়টি নিশ্চিত হন। তদন্তের এক পর্যায়ে আসামী আলমগীরকে গত ২৮ জুলাই ঢাকা আশুলিয়া থানার বাইপাইল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত এর আদেশে প্রথমে তিন দিন পরে আবারো তিন দিন পুলিশ রিমান্ডে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্মীকার করে। ঘটনায় জড়িত অপরাপর আসামি মফিজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম,সাজু মিয়া ও আশরাফুলের নাম প্রকাশ করে বিজ্ঞ আদালতে ০৫ আগস্ট ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে বলে জানা গেছে।

এব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম বলেন, জেলা পুলিশ কুড়িগ্রাম এমন অনেক বিষয়ে অভ্যন্তরিন সক্ষমতা বাড়িয়েছে। কোন অপরাধী অপরাধ করে পার পাবে না, পুলিশের হাতে আটক হয়ে আইনের আওতায় আসতেই হবে। যে সকল মামলার আসামী পলাতক রয়েছে তাদের গ্রেফতারে পুলিশ মনিটরিং সেল জোড় তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network