২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
বরিশালে হাতপাখার পক্ষে প্রচারণায় ঝড় তুলেছেন নারী কর্মীরা পবিপ্রবির হলে রুম না পেয়ে প্রভোস্ট অফিসে শিক্ষার্থীদের তালা বিএনপি ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যার সমাধান করা হবে: তারেক রহমান পাথরঘাটায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচারণায় নারী হেনস্থার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মানিকছড়িতে যুবককে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা: দুই আসামি গ্রেফতার ফটিকছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ২ সন্ত্রাসী আটক ‎বাটাজোড় অশ্বনী কুমার ইনস্টিটিউশনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বরিশালে দুর্নীতি মামলায় বিআরটিএর সাবেক সহকারী পরিচালক কারাগারে গৌরনদীতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক সন্দেহে মা’র’ধ’র, আহত-৬

দুমকিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আপতুন্নেছা খাতুন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জড়াজীর্ণ ভবনে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। ১৯৬৬ সালে নির্মিত এ ভবনের দেয়াল-ছাদে গভীর ফাটল,পলেস্তার খসে পড়া,রড বেরিয়ে থাকা-সব মিলিয়ে যেকোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই শিক্ষকরা এ ভবনেই ক্লাস নিতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও অভিভাবকদের আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়,ভবনের অধিকাংশ কক্ষে পলেস্তার খসে ছাদের রড বের হয়ে আছে। দেয়ালের প্লাস্টার উঠে ইট দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। কয়েকটি কক্ষে ছাদ ঝুলে পড়ার মতো অবস্থায় থাকলেও বিকল্প ভবন না থাকায় সেখানে পাঠদান বন্ধ করা যাচ্ছে না।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী স্মৃতি ও জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, ক্লাসে আসতে ভয় লাগে। ছাদ থেকে পলেস্তার খসে পড়ে। কখন কী হয় বলা যায় না।

শিক্ষার্থী অভিভাবক মামুন ও সরোয়ার জানান, সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য স্কুলে পাঠাই,কিন্তু ভবনের এই অবস্থায় চিন্তায় থাকি। দ্রুত সংস্কার জরুরি। বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিতোষ চন্দ্র দাস বলেন, কিছুদিন আগে পাঠদানের সময় আমার মাথায় ছাদের পলেস্তার খসে পড়ে। তারপরও ক্লাস নিতে হচ্ছে,কারণ অন্য কোনো কক্ষ নেই।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তার হ্যাপি জানান,বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। ক্লাসরুম সংকট স্কুলটির সবচেয়ে বড় সমস্যা। ঝুঁকি জেনেও শিক্ষকরা প্রতিদিন পাঠদান করছেন। অত্যন্ত জরুরি নতুন ভবনের প্রয়োজন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন,বিদ্যালয়ের একটি নতুন ভবন রয়েছে,কিন্তু সেখানে যথাযথ সংকলন হয়নি। তাই পরীক্ষাসহ বেশ কিছু কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই নিতে হচ্ছে। নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানাব এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করব।

স্থানীয়দের অভিযোগ,বছরের পর বছর ধরে বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের দাবি জানালেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে।এটিকে তারা ‘অবহেলার চরম দৃষ্টান্ত’ বলে মনে করছেন।অভিভাবক ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা-দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ বা সংস্কার না হলে বড় দুর্যোগের শঙ্কা থেকেই যাবে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network