আপডেট: November 3, 2023
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:: গাজীপুরের কাপাসিয়ার আমিন উদ্দিন মোল্লা ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। গত ২৯ অক্টোবর থানায় হওয়া একটি নাশকতার মামলায় তাঁকে ১৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়েছে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপকারীদের একজন এই আমিন উদ্দিন। তবে স্বজন ও বিএনপির স্থানীয় নেতারা বলছেন, পুলিশ মিথ্যা মামলার আরেকটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।আমিন উদ্দিন মোল্লার জামাতা মোজাম্মেল হক বলেছেন, তাঁর শ্বশুর ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি মারা গেছেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি জামায়াতের রাজনীতি করতেন।
আজ শুক্রবার সকালে মোজ্জাম্মেল বলেন, ‘কবর থেকে কেউ কীভাবে ককটেল মারলেন সেটাই তো বুঝতে পারছি না। মৃত ব্যক্তিকে আসামি করা দুঃখজনক।
আমিন উদ্দিনের চাকরি ও রাজনৈতিক জীবন নিয়ে মোজাম্মেলের দেওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তিনি উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের খিরাটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। গত রবিবার তাঁর বিরুদ্ধে কাপাসিয়া থানায় হওয়া মামলাটির বাদি উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সালাউদ্দিন। মামলায় মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে বাদি উল্লেখ করেছেন, গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় কাপাসিয়ার তরগাঁও এলাকার মেডিক্যাল মোড়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা অস্থিতিশীল ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য সংঘবদ্ধ হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে একটি ককটেল বিস্ফোরণ করে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাদের ফেলে যাওয়া অবিস্ফোরিত চারটি ও বিস্ফোরিত একটি ককটেল ও চারটি পেট্রোল বোমা উদ্ধার উদ্ধার করে পুলিশ।স্বজনদের ভাষ্য, আমিন উদ্দিন ৬৫ বছর বয়সে মারা যান। তবে মামলার এজাহারে তাঁর বয়স ৪৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

