আপডেট: August 6, 2023
বরিশাল প্রতিনিধি:: বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপাশা ইউনিয়নের ২০২২ থেকে চলমান প্রকল্পের -৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের জিও ব্যাগে বালু ভরাটে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাস্থানে গিয়ে জানা যায় -নিম্ন মানের কাদা বালু জিও ব্যাগে ভরে বাদের কাজ করার প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে তৎকালীন ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ হানিফ তালুকদারের বিরুদ্ধে মামলা হামলা করেছিল সংশ্লিষ্ট কাজের সাথে জড়িত কিছু অসাধু চাটুকারেরা, এলাকাবাসীর মুখ থেকে জানা যায় জনগণের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে রাঘব বোয়ালদের চক্ষুশুল হয়ে মিথ্যা মামলায় পড়তে হয়েছিল চেয়ারম্যান মোঃ হানিফ তালুকদারের।
উল্লেখিত প্রজেক্টের কাজ বর্তমানে চলাকালীন অবস্থাতেই জিও ব্যাগে নিম্নমানের কাদা বালু দেয়ার কারণে ভরাট কৃত জায়গা থেকে ভেসে যাচ্ছে জিও ব্যাগগুলো, আবারো নতুন করে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে দূর্গাপাশা ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ঘোষকাঠি নামক স্থানে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়- নিম্নমানের বালু দেয়ার কারণেই নতুন করে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল, এরই পরিপ্রেক্ষিতে তেতুলিয়া নদীর ভূগর্ভে চলে যাচ্ছে দুর্গাপাশা ইউনিয়নের ঘোসকাঠি গ্রামটি, এমত অবস্থায় বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে দুর্গাপাশা ইউনিয়নটি ।
সাংবাদিকদের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানান এই এলাকার তথা দুর্গাপাশা ইউনিয়নের সকল মানুষের ঠিকানা ও অস্তিত্বের সাথে যে প্রকল্প জড়িয়ে রয়েছে সেখানে কে বা কাহারা এই দূর্নীতি, অনিয়ম করলো সরকার বরাদ্দ দেওয়ার পরেও কেন শুধু মাত্র ব্যক্তি বিশেষ লাভবান হওয়ার কারনে দেশের মানচিত্র হতে বিলীন হতে চলছে দূর্গাপাশার ঘোষকাঠি গ্রামটি,এর দায় কার, গত বছর প্রজেক্টের কাজ চলাকালীন সময়ে আমার চোখে অনিয়ম ধরা পড়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আমি যোগাযোগ করি এবং প্রতিবাদ করার পরিপেক্ষিতে আমাকে পড়তে হয়েছে মিথ্যা মামলা হামলায়,কারণ একটাই আমি অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম,সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কমনা করছি সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে দোষীদেরকে আইনের আওতায় এনে সঠিক গুণগত মানের কাজের প্রত্যাশা করছি।
এলাকাবাসীর দেয়া সাক্ষাৎকারে উঠে আসে তৎকালীন উপসহকারী রেজাউল করিম ও বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী খাদিজা বেগমের সাথে সাব ঠিকাদারদের গোপন চুক্তি ও স্বাক্ষরতা থাকার কারণেই চলমান প্রজেক্টে দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে এমত অবস্থায় মানব ক্রন্দনের মধ্য দিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী খাদিজা বেগমের অবসরের লক্ষ্যে জোড় দাবি জানান এলাকাবাসীরা।

