২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ছেড়ে ৩০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের প্রান্তিক ভোটাররা ঝুঁকছেন দাঁড়িপাল্লার দিকে বেয়াদবি করলে আগুনের ফুলকি দেখতে পাবা: ডা. শফিকুর রহমান গৌরনদী বার্থী ইউনিয়নে জহির উদ্দিন স্বপনের ব্যাপক গণসংযোগ বাকেরগঞ্জের ইউএনও, সার্কেল এএসপি ও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহারের দাবি ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩ বানারীপাড়ায় সেনাবাহিনীর হাতে দণ্ডপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সঠিক সময়ে পাচ্ছেনা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ খাগড়াছড়িতে জব ফেয়ার উদ্বোধন ও কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সেমিনার

ভালোবাসার টানে ভাঙ্গায় ছুটে এলেন মালয়েশিয়ান তরুণী

আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৩

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

অনলাইন ডেস্ক:: প্রেমের টানে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় প্রেমিক জাফর মাতুব্বরের কাছে ছুটে এসেছেন তিনি।গত ৬ জুন বৃহস্পতিবার সকালে প্রেমিক জাফর মাতুব্বরের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের কররা গ্রামের চলে আসেন তিনি। মালয়েশিয়ান তরুণী আসার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বৃষ্টির মধ্যে নবদম্পতিকে দেখতে ওই বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জাফর মাতুব্বর দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় ব্যবসা করতেন। ওই ব্যবসা করার সুবাদে ২০১৯ সালে পরিচয় হয় আজি ফাজিরা বিনতে আব্দুল আজিজ সঙ্গে। পরিচয় থেকে ভালোবাসা, ধীরে ধীরে তা আরও গভীর হয়। পরে তারা বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর মালোয়শিয়ান তরুণীর পরিবারের সম্মতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

কিছুদিন আগে জাফর মাতুব্বর দেশে আসেন। পরবর্তীতে গত ৫ জুন রাতে একটি ফ্লাইটে ওই তরুণী ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে তাকে রিসিভ করে বাড়িতে নিয়ে আসেন জাফর মাতুব্বর।জাফর মাতুব্বর বলেন, আমি মালয়েশিয়ায় ব্যবসা করার সময় আজি ফাজিরার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে তা ভালোবাসায় রূপ নেয়। পরে সে আমাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেয়। আমাদের দুইজনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। পরবর্তীতে আমরা দুইজন পরিবারের সম্মতিতে বিবাহ করি। আমি বাড়ি আসার পর আমার ভালোবাসার টানে সে বাংলাদেশে চলে আসে। সে নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে তার পরিবারের সম্মতিতে বাংলাদেশে চলে আসে। এতে আমরা দুইজনসহ আমার পরিবারের সবাই খুব খুশি। আবার আমরা একসঙ্গে মালোয়শিয়ায় চলে যাব।

এ বিষয়ে অস্পষ্ট বাংলায় আজি ফাজিরা বিনতে আব্দুল আজিজ বলেন, আমি জাফরকে প্রথম দেখার পর ভালো লেগে যায়। পরে আস্তে আস্তে কথা বলতে বলতে আমরা একে অপরকে ভালোবেসে ফেলি। জাফর ও বাংলাদেশকে ভালোবাসি। আমি আসার পর জাফরের পরিবারের সবাই আমাকে খুবই ভালোবাসে। খাবার ও এখানকার পরিবেশ আমার ভালো লেগেছে। পরিবারের সবাই আমাকে আপন করে নিয়েছে। আমি ইন্টারনেটে দেখেছি, বাংলাদেশের কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে জাফরকে নিয়ে ঘুরতে যাব।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
error: এই সাইটের নিউজ কপি বন্ধ !!
Website Design and Developed By Engineer BD Network