আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২১
শবে বরাত নিয়েও আমাদের সমাজ বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়িতে লিপ্ত। সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ পূণ্যময় রজনীকে এমনভাবে উদযাপন করে, যা সম্পূর্ণ ইসলাম বহির্ভূত। তারা এই পবিত্র রাতে এমনসব কাজ-কর্ম করে যা সুস্পষ্ট বিদআাত ও নাজায়েজ। অনেকে এ রাতের ফজিলতকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন প্রচার করেন। যার মাধ্যমে নফল ইবাদত থেকে মানুষকে দূরে রাখার চেষ্টায় থাকেন। এই বাড়াবাড়ি ইসলাম সমর্থন করে না।
আগামীকাল পবিত্র শবেবরাত (লাইলাতুল বারাত)। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আগামীকাল দিবাগত রাতে মহান আল্লাহর রহমত কামনায় ‘নফল ইবাদত-বন্দেগির’ মধ্য দিয়ে পবিত্র শবেবরাত উদযাপন করবেন।শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। মহিমান্বিত এ রাতে মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এ রাতে মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজগারসহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগি করে থাকেন।
এছাড়াও আরও যেসব কাজ করা উচিত নয়-
* আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে বেহুদা ঘোরাফেরা করা
* অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দ-উল্লাস করা* অযথা কথাবার্তা ও বেপরোয়া আচরণ করা* অন্য কারও ইবাদতের বা ঘুমের বিঘ্ন ঘটানো* হালুয়া-রুটি বা খাওয়া-দাওয়ার পেছনে বেশি সময় নষ্ট করে ইবাদত থেকে গাফিল থাকা।

